০২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মুরগির দামে স্বস্তি, কিন্তু ডিম-চিনি-পেঁয়াজে চাপ: বাজারে মিশ্র চিত্র

রাজধানীর বাজারে একদিকে মুরগির দাম কমে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অন্যদিকে ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভোগান্তি কাটেনি ক্রেতাদের। সাম্প্রতিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এই উল্টো স্রোত সাধারণ মানুষের বাজেটে নতুন চাপ তৈরি করছে।

মুরগির দামে স্বস্তির ইঙ্গিত
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সোনালি মুরগির দাম কমে এসেছে। কেজিপ্রতি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়, যা মাসের শুরুতে ছিল ৪৩০ থেকে ৪৬০ টাকা। তবে মার্চের শুরুর তুলনায় এখনও দাম বেশি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারে রোগে মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, ফলে দামও কমেছে।

ব্রয়লার মুরগির দামও কমে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় নেমেছে, যা আগে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির দামও কিছুটা কমে এখন ৭০০ থেকে ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমলেও পুরো স্বস্তি নেই
ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম আরও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ট্রাকভাড়া বাড়ায় খামার থেকে কম দামে পণ্য এলেও খুচরা বাজারে সেই সুবিধা পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না।

ডিম-চিনি-পেঁয়াজে বাড়তি চাপ
মুরগির দামে স্বস্তি এলেও ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ডজনপ্রতি ডিম এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকার মতো। খোলা চিনি কেজিপ্রতি বেড়ে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠেছে। পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় পৌঁছেছে।

গরুর মাংসের দাম স্থির, কমার লক্ষণ নেই
ঈদের পর বাড়া গরুর মাংসের দাম এখনও কমেনি। কেজিপ্রতি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই দামে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।

ইলিশের দামে বিভ্রান্তি
পহেলা বৈশাখের পর ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। মাঝারি আকারের ইলিশ এখনও ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর বড় ইলিশের দাম ২,৫০০ টাকার ওপরে।

ভোজ্যতেলের সংকট অব্যাহত
বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বাজারে পাঁচ লিটারের বোতল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে খোলা তেল কিনছেন। ক্রেতারা বাজারে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

বাজারে এই মিশ্র পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, কিছু পণ্যে স্বস্তি এলেও সামগ্রিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে চাপ এখনো কমেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মুরগির দামে স্বস্তি, কিন্তু ডিম-চিনি-পেঁয়াজে চাপ: বাজারে মিশ্র চিত্র

০৫:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর বাজারে একদিকে মুরগির দাম কমে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অন্যদিকে ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভোগান্তি কাটেনি ক্রেতাদের। সাম্প্রতিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এই উল্টো স্রোত সাধারণ মানুষের বাজেটে নতুন চাপ তৈরি করছে।

মুরগির দামে স্বস্তির ইঙ্গিত
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সোনালি মুরগির দাম কমে এসেছে। কেজিপ্রতি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়, যা মাসের শুরুতে ছিল ৪৩০ থেকে ৪৬০ টাকা। তবে মার্চের শুরুর তুলনায় এখনও দাম বেশি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারে রোগে মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, ফলে দামও কমেছে।

ব্রয়লার মুরগির দামও কমে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় নেমেছে, যা আগে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির দামও কিছুটা কমে এখন ৭০০ থেকে ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমলেও পুরো স্বস্তি নেই
ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম আরও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ট্রাকভাড়া বাড়ায় খামার থেকে কম দামে পণ্য এলেও খুচরা বাজারে সেই সুবিধা পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না।

ডিম-চিনি-পেঁয়াজে বাড়তি চাপ
মুরগির দামে স্বস্তি এলেও ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ডজনপ্রতি ডিম এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকার মতো। খোলা চিনি কেজিপ্রতি বেড়ে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠেছে। পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় পৌঁছেছে।

গরুর মাংসের দাম স্থির, কমার লক্ষণ নেই
ঈদের পর বাড়া গরুর মাংসের দাম এখনও কমেনি। কেজিপ্রতি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই দামে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।

ইলিশের দামে বিভ্রান্তি
পহেলা বৈশাখের পর ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। মাঝারি আকারের ইলিশ এখনও ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর বড় ইলিশের দাম ২,৫০০ টাকার ওপরে।

ভোজ্যতেলের সংকট অব্যাহত
বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বাজারে পাঁচ লিটারের বোতল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে খোলা তেল কিনছেন। ক্রেতারা বাজারে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

বাজারে এই মিশ্র পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, কিছু পণ্যে স্বস্তি এলেও সামগ্রিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে চাপ এখনো কমেনি।