১১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

যশোরে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা দিবস আজ, ৫৫ বছরেও শহিদরা অস্বীকৃত

আজ ৪ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যশোরে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। শহরের একটি মাদ্রাসায় হানা দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষক, ছাত্র ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে এবং মরদেহগুলো গণকবরে পুঁতে রাখে। একই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী যশোরের একটি ক্যাথলিক চার্চে হামলা চালায়, সেখানে একজন ইতালীয় পাদ্রিসহ ছয়জন প্রাণ হারান। এই দিনটি যশোরের ইতিহাসে “মাদ্রাসা ট্র্যাজেডি” নামে পরিচিত।

পরিচিতদের নাম ইতিহাসের পাতায়

নিহতদের মধ্যে যাদের নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন তাহের উদ্দিন, এবিএম আব্দুল হামিদ, এবিএম কামরুজ্জামান, কাজী আব্দুল গণি ও তার ছেলে কাজী কামরুজ্জামান, দিন মোহাম্মদ, আইয়ুব হোসেন, কাজী আব্দুল কালাম আজাদ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রউফ এবং আবু কালাম।

যশোর গণহত্যার স্মৃতিস্তম্ভ চায় শহীদ পরিবারগুলো

৫৫ বছরেও স্বীকৃতি নেই, স্মৃতিসৌধ নেই

আংশিক স্বীকৃতি মিললেও নিহতদের বড় অংশ আজও সরকারিভাবে স্বীকৃত শহিদের মর্যাদা পাননি। যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক উপ-অধিনায়ক আফজাল হোসেন দোদুল দাবি জানিয়েছেন, সকল শহিদের পূর্ণ স্বীকৃতি, গণকবর সংরক্ষণ এবং তাদের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও এই শহিদদের ন্যায়বিচার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যাওয়া বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

যশোরে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা দিবস আজ, ৫৫ বছরেও শহিদরা অস্বীকৃত

০৭:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ ৪ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যশোরে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। শহরের একটি মাদ্রাসায় হানা দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষক, ছাত্র ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে এবং মরদেহগুলো গণকবরে পুঁতে রাখে। একই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী যশোরের একটি ক্যাথলিক চার্চে হামলা চালায়, সেখানে একজন ইতালীয় পাদ্রিসহ ছয়জন প্রাণ হারান। এই দিনটি যশোরের ইতিহাসে “মাদ্রাসা ট্র্যাজেডি” নামে পরিচিত।

পরিচিতদের নাম ইতিহাসের পাতায়

নিহতদের মধ্যে যাদের নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন তাহের উদ্দিন, এবিএম আব্দুল হামিদ, এবিএম কামরুজ্জামান, কাজী আব্দুল গণি ও তার ছেলে কাজী কামরুজ্জামান, দিন মোহাম্মদ, আইয়ুব হোসেন, কাজী আব্দুল কালাম আজাদ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রউফ এবং আবু কালাম।

যশোর গণহত্যার স্মৃতিস্তম্ভ চায় শহীদ পরিবারগুলো

৫৫ বছরেও স্বীকৃতি নেই, স্মৃতিসৌধ নেই

আংশিক স্বীকৃতি মিললেও নিহতদের বড় অংশ আজও সরকারিভাবে স্বীকৃত শহিদের মর্যাদা পাননি। যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক উপ-অধিনায়ক আফজাল হোসেন দোদুল দাবি জানিয়েছেন, সকল শহিদের পূর্ণ স্বীকৃতি, গণকবর সংরক্ষণ এবং তাদের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও এই শহিদদের ন্যায়বিচার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যাওয়া বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষকরা।