০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও সম্পর্ক নতুন মোড়ে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন রোববার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত এই আলোচনা ‘চমৎকার ও ফলপ্রসূ’ বলে মন্তব্য করেন এবং দুই দেশের সম্পর্কের মূল উপাদানগুলো নিয়ে গঠনমূলক সংলাপ হয়েছে বলে জানান।

বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা জোরালো
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শিগগিরই একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঢাকার লক্ষ্য পারস্পরিক শুল্কহার কমানো, যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এই অগ্রগতি দুই দেশের পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

শুল্ক কমানো নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা
সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফর করা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের ওপর আরোপিত বিদ্যমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমানোর বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উত্থাপনে সম্মত হয়েছেন। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবস্থান আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

টেক্সটাইল রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশের প্রস্তাব
দুই পক্ষের আলোচনায় একটি উদ্ভাবনী অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থার প্রস্তাব ও উঠে এসেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানির পরিমাণের সমপরিমাণ বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া হতে পারে। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে বাংলাদেশি প্রস্তুতকারক ও শ্রমিকদের জন্য বড় সহায়তা তৈরি হবে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

নতুন সম্ভাবনার দ্বার
অন্তর্বর্তী সরকার মনে করছে, এই অগ্রগতি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে বাড়তে থাকা আস্থা ও সদিচ্ছার প্রতিফলন। পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও সম্পর্ক নতুন মোড়ে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

০৭:০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন রোববার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত এই আলোচনা ‘চমৎকার ও ফলপ্রসূ’ বলে মন্তব্য করেন এবং দুই দেশের সম্পর্কের মূল উপাদানগুলো নিয়ে গঠনমূলক সংলাপ হয়েছে বলে জানান।

বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা জোরালো
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শিগগিরই একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঢাকার লক্ষ্য পারস্পরিক শুল্কহার কমানো, যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এই অগ্রগতি দুই দেশের পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

শুল্ক কমানো নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা
সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফর করা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের ওপর আরোপিত বিদ্যমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমানোর বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উত্থাপনে সম্মত হয়েছেন। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবস্থান আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

টেক্সটাইল রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশের প্রস্তাব
দুই পক্ষের আলোচনায় একটি উদ্ভাবনী অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থার প্রস্তাব ও উঠে এসেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানির পরিমাণের সমপরিমাণ বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া হতে পারে। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে বাংলাদেশি প্রস্তুতকারক ও শ্রমিকদের জন্য বড় সহায়তা তৈরি হবে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

নতুন সম্ভাবনার দ্বার
অন্তর্বর্তী সরকার মনে করছে, এই অগ্রগতি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে বাড়তে থাকা আস্থা ও সদিচ্ছার প্রতিফলন। পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।