০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে আরও ১৭৩ বাংলাদেশির দেশে ফেরা

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে আরও ১৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক সোমবার দেশে ফিরেছেন। বিভিন্ন দফতরের সমন্বিত উদ্যোগে তাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।

ফেরার মূল তথ্য

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টায় বরাক এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।

যৌথ সমন্বয়ে প্রত্যাবাসন

নাগরিকদের দেশে ফেরানোর এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ দূতাবাস (লিবিয়া), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

Another 174 Bangladeshis return home from Libya | The Business Standard

এই সমন্বিত উদ্যোগে লিবিয়ার বিভিন্ন আটক কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অবৈধ অবস্থান ও ঝুঁকিপূর্ণ পথ

ফেরত আসা ব্যক্তিদের বেশিরভাগই অবৈধভাবে লিবিয়ায় অবস্থান করছিলেন।

অনেকে মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে বহু মানুষ অপহরণ, নির্যাতনসহ নানা অত্যাচারের শিকার হন।

বিমানবন্দরে স্বাগত ও সচেতনতার আহ্বান

ঢাকায় পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইওএম কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

309 more Bangladeshis return home from Libya

ফেরত আসা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার অনুরোধ জানানো হয়, যাতে জনসচেতনতা বাড়ে এবং অন্যরা ঝুঁকিপূর্ণ পথে পাড়ি দেওয়ার আগ্রহ থেকে বিরত থাকে।

সহায়তা ও পুনর্বাসন

আইওএম প্রত্যেক প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিকে ভ্রমণ ভাতা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দেয়।

বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ প্রচেষ্টায় লিবিয়ায় আটক ও বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। এই উদ্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের কুফল সম্পর্কে সমাজে আরও সচেতনতা তৈরিতে সহায়তা করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে আরও ১৭৩ বাংলাদেশির দেশে ফেরা

০৭:০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে আরও ১৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক সোমবার দেশে ফিরেছেন। বিভিন্ন দফতরের সমন্বিত উদ্যোগে তাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।

ফেরার মূল তথ্য

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টায় বরাক এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।

যৌথ সমন্বয়ে প্রত্যাবাসন

নাগরিকদের দেশে ফেরানোর এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ দূতাবাস (লিবিয়া), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

Another 174 Bangladeshis return home from Libya | The Business Standard

এই সমন্বিত উদ্যোগে লিবিয়ার বিভিন্ন আটক কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অবৈধ অবস্থান ও ঝুঁকিপূর্ণ পথ

ফেরত আসা ব্যক্তিদের বেশিরভাগই অবৈধভাবে লিবিয়ায় অবস্থান করছিলেন।

অনেকে মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে বহু মানুষ অপহরণ, নির্যাতনসহ নানা অত্যাচারের শিকার হন।

বিমানবন্দরে স্বাগত ও সচেতনতার আহ্বান

ঢাকায় পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইওএম কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

309 more Bangladeshis return home from Libya

ফেরত আসা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার অনুরোধ জানানো হয়, যাতে জনসচেতনতা বাড়ে এবং অন্যরা ঝুঁকিপূর্ণ পথে পাড়ি দেওয়ার আগ্রহ থেকে বিরত থাকে।

সহায়তা ও পুনর্বাসন

আইওএম প্রত্যেক প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিকে ভ্রমণ ভাতা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দেয়।

বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ প্রচেষ্টায় লিবিয়ায় আটক ও বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। এই উদ্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের কুফল সম্পর্কে সমাজে আরও সচেতনতা তৈরিতে সহায়তা করবে।