০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রংপুরে চার খুন: জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই মুক্ত

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে ডিবি কার্যালয় থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে শনিবার বিকেলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিদ্ধার্থের বাবা ও বড় ভাইকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুজনই মুক্ত

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় জানতে বিনয় দাস ও পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তারা লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মুক্তির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিনয় দাস। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন দিক নিয়ে পুলিশ তাদের কাছে জানতে চেয়েছে। তার ভাষ্য, গণমাধ্যমের কাছে তারা আগে যা বলেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদেও পুলিশকে মূলত সেটিই জানিয়েছেন।

রংপুরে ৪ খুন/মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি

চার সদস্যকে শ্বাসরোধে হত্যা

রংপুর নগরীর মচ্ছুয়াপাড়ায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গত ২২ আগস্ট একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়ম।

নিহত গণপতির বয়স ৬৫ বছর। তার স্ত্রী প্রীতিলতার বয়স ৫০, মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর ২৫ এবং ছেলে আয়ুষের বয়স ১২ বছর।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

রংপুরে চার খুন: ছাড়া পেলেন সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

পরদিনই গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজন

হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২৩ আগস্ট একই এলাকা থেকে মুগ্ধা দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মুগ্ধার বয়স ২৩ এবং সিদ্ধার্থের বয়স ১৯ বছর। চারজনকে হত্যার ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে গ্রেপ্তার দুজনই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই মামলায় শিমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস নামে আরও দুই সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় মামলার তদন্তে নতুন কোনো অভিযোগ বা তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার তথ্য পুলিশ জানায়নি।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রংপুরে চার খুন: জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই মুক্ত

১১:৫৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে ডিবি কার্যালয় থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে শনিবার বিকেলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিদ্ধার্থের বাবা ও বড় ভাইকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুজনই মুক্ত

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় জানতে বিনয় দাস ও পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তারা লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মুক্তির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিনয় দাস। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন দিক নিয়ে পুলিশ তাদের কাছে জানতে চেয়েছে। তার ভাষ্য, গণমাধ্যমের কাছে তারা আগে যা বলেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদেও পুলিশকে মূলত সেটিই জানিয়েছেন।

রংপুরে ৪ খুন/মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি

চার সদস্যকে শ্বাসরোধে হত্যা

রংপুর নগরীর মচ্ছুয়াপাড়ায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গত ২২ আগস্ট একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়ম।

নিহত গণপতির বয়স ৬৫ বছর। তার স্ত্রী প্রীতিলতার বয়স ৫০, মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর ২৫ এবং ছেলে আয়ুষের বয়স ১২ বছর।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

রংপুরে চার খুন: ছাড়া পেলেন সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

পরদিনই গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজন

হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২৩ আগস্ট একই এলাকা থেকে মুগ্ধা দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মুগ্ধার বয়স ২৩ এবং সিদ্ধার্থের বয়স ১৯ বছর। চারজনকে হত্যার ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে গ্রেপ্তার দুজনই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই মামলায় শিমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস নামে আরও দুই সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় মামলার তদন্তে নতুন কোনো অভিযোগ বা তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার তথ্য পুলিশ জানায়নি।