০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

রংপুর-নীলফামারী রুটসহ নীলফামারীর বিভিন্ন আন্তঃজেলায় বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নীলফামারীর একজন শ্রমিক নেতাকে মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


পরিবহন বন্ধের কারণ
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বাধে। পরে রংপুর বাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয়রা সফিকুলকে উদ্ধার করে শ্রমিক ইউনিয়নের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর মালিক সমিতির সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় নীলফামারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


যেসব রুটে বাস বন্ধ
রবিবার সকাল থেকে নিম্নলিখিত রুটে কোনো বাস চলাচল করছে না:
রংপুর-নীলফামারী
নীলফামারী-সৈয়দপুর
নীলফামারী-জলঢাকা
নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ
নীলফামারী-ডিমলা
নীলফামারী-ডোমার

তবে ঢাকামুখী ও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যাত্রীদের দুর্ভোগ
হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহন খুঁজছেন।

সৈয়দপুরের যাত্রী আজগর আলী বলেন, ডাক্তারের কাছে যেতে রংপুর যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। রুটে বাস বন্ধ থাকায় তিনি এখন দিনাজপুর রুটের বাস ধরার অপেক্ষায় আছেন। অন্য যাত্রীরাও এমনই সমস্যার কথা জানান।


শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ন্যায্য পাওনা ও শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রংপুর-নীলফামারী রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ

০৬:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

রংপুর-নীলফামারী রুটসহ নীলফামারীর বিভিন্ন আন্তঃজেলায় বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নীলফামারীর একজন শ্রমিক নেতাকে মারধরের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


পরিবহন বন্ধের কারণ
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে বিরোধ বাধে। পরে রংপুর বাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয়রা সফিকুলকে উদ্ধার করে শ্রমিক ইউনিয়নের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রংপুর মালিক সমিতির সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় নীলফামারী শ্রমিক ইউনিয়ন।


যেসব রুটে বাস বন্ধ
রবিবার সকাল থেকে নিম্নলিখিত রুটে কোনো বাস চলাচল করছে না:
রংপুর-নীলফামারী
নীলফামারী-সৈয়দপুর
নীলফামারী-জলঢাকা
নীলফামারী-কিশোরগঞ্জ
নীলফামারী-ডিমলা
নীলফামারী-ডোমার

তবে ঢাকামুখী ও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


যাত্রীদের দুর্ভোগ
হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহন খুঁজছেন।

সৈয়দপুরের যাত্রী আজগর আলী বলেন, ডাক্তারের কাছে যেতে রংপুর যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। রুটে বাস বন্ধ থাকায় তিনি এখন দিনাজপুর রুটের বাস ধরার অপেক্ষায় আছেন। অন্য যাত্রীরাও এমনই সমস্যার কথা জানান।


শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি
শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ন্যায্য পাওনা ও শ্রমিকদের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা।