০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রব রেইনারের স্মরণীয় অধ্যায়: চলচ্চিত্রের জগতে এক উজ্জ্বল যাদুকর

চলচ্চিত্র ও অভিনয়ের জগতে রব রেইনার ছিলেন এক অনন্য নক্ষত্র। ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই প্রখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক ২০২৫ সালে আমাদের ছেড়ে গেলেও তার সৃষ্টিশীলতা আজও কোটি মানুষের মনে বেঁচে আছে। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালে “হ্যারি, দিস ইজ স্যালি” চলচ্চিত্রে কাজ করার সময় হ্যারি কননিক জুনিয়রের সাথে তার স্মৃতি আজও অম্লান।

Harry Connick, Jr. - Steinway & Sons

হ্যারি কননিক জুনিয়র মনে করেন, লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টুডিয়োর বিশাল স্থানে প্রথম পিয়ানো বাজানোর মুহূর্তটি এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল। রেইনারের দৃষ্টিভঙ্গি এতটাই নিখুঁত ছিল যে প্রতিটি দৃশ্যের সঙ্গে সঙ্গীতের সুর যেন স্বাভাবিকভাবেই মিলিত হয়ে যেত। তিনি শুধু নির্দেশ দিতেন, কিন্তু সৃজনশীলতায় কোনো বাধা দেননি। কননিকের প্রতিটি নোট, প্রতিটি ছন্দ তার দিকনির্দেশনার সঙ্গে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্যে মিলেছিল।

রব রেইনারের সঙ্গে কাজ করার সময় কননিক প্রথমে কেবল একটি গান (“ইট হ্যাড টু বি ইউ”) পরিবেশনের জন্য নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু চুক্তি সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে তিনি চলচ্চিত্রের সব গান বাজিয়েছেন এবং গেয়েছেন। তিনি বলেন, রেইনার এতটাই উদার এবং ধৈর্যশীল ছিলেন যে তিনি নিজের সৃজনশীলতা অনায়াসে প্রকাশ করতে পারতেন। বিশেষ করে “উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ড” এবং “ইট হ্যাড টু বি ইউ” গানগুলোতে তার নিজস্ব শৈলী ও আবেগ প্রকাশ পেয়েছিল।

Harry Connick Jr. Recalls Rob Reiner Giving Him His Big Break Composing  Music for “When Harry Met Sally”: 'Changed My Life' - Yahoo News UK

রব রেইনার ছিলেন নিখুঁত পরিকল্পনায় বিশ্বাসী, কিন্তু তাতেও সহানুভূতিশীল এবং দয়ালু। তিনি হ্যারি কননিককে শুধু প্রেরণা দেননি, বরং তার জীবনকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন। তার শিক্ষার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, “যদি তুমি কিছু করতে চাও, নিজেই কর। অন্যকে দায়িত্ব দেওয়ার আশা কোরো না।” সত্যিই, রব রেইনার এক আলোকবর্তিকা ছিলেন, যিনি সবার জন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রব রেইনারের স্মরণীয় অধ্যায়: চলচ্চিত্রের জগতে এক উজ্জ্বল যাদুকর

১১:৪৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলচ্চিত্র ও অভিনয়ের জগতে রব রেইনার ছিলেন এক অনন্য নক্ষত্র। ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই প্রখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক ২০২৫ সালে আমাদের ছেড়ে গেলেও তার সৃষ্টিশীলতা আজও কোটি মানুষের মনে বেঁচে আছে। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালে “হ্যারি, দিস ইজ স্যালি” চলচ্চিত্রে কাজ করার সময় হ্যারি কননিক জুনিয়রের সাথে তার স্মৃতি আজও অম্লান।

Harry Connick, Jr. - Steinway & Sons

হ্যারি কননিক জুনিয়র মনে করেন, লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টুডিয়োর বিশাল স্থানে প্রথম পিয়ানো বাজানোর মুহূর্তটি এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল। রেইনারের দৃষ্টিভঙ্গি এতটাই নিখুঁত ছিল যে প্রতিটি দৃশ্যের সঙ্গে সঙ্গীতের সুর যেন স্বাভাবিকভাবেই মিলিত হয়ে যেত। তিনি শুধু নির্দেশ দিতেন, কিন্তু সৃজনশীলতায় কোনো বাধা দেননি। কননিকের প্রতিটি নোট, প্রতিটি ছন্দ তার দিকনির্দেশনার সঙ্গে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্যে মিলেছিল।

রব রেইনারের সঙ্গে কাজ করার সময় কননিক প্রথমে কেবল একটি গান (“ইট হ্যাড টু বি ইউ”) পরিবেশনের জন্য নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু চুক্তি সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে তিনি চলচ্চিত্রের সব গান বাজিয়েছেন এবং গেয়েছেন। তিনি বলেন, রেইনার এতটাই উদার এবং ধৈর্যশীল ছিলেন যে তিনি নিজের সৃজনশীলতা অনায়াসে প্রকাশ করতে পারতেন। বিশেষ করে “উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ড” এবং “ইট হ্যাড টু বি ইউ” গানগুলোতে তার নিজস্ব শৈলী ও আবেগ প্রকাশ পেয়েছিল।

Harry Connick Jr. Recalls Rob Reiner Giving Him His Big Break Composing  Music for “When Harry Met Sally”: 'Changed My Life' - Yahoo News UK

রব রেইনার ছিলেন নিখুঁত পরিকল্পনায় বিশ্বাসী, কিন্তু তাতেও সহানুভূতিশীল এবং দয়ালু। তিনি হ্যারি কননিককে শুধু প্রেরণা দেননি, বরং তার জীবনকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন। তার শিক্ষার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, “যদি তুমি কিছু করতে চাও, নিজেই কর। অন্যকে দায়িত্ব দেওয়ার আশা কোরো না।” সত্যিই, রব রেইনার এক আলোকবর্তিকা ছিলেন, যিনি সবার জন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন।