০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রমজান সামনে রেখে সয়াবিন তেল ও সার আমদানিতে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় সরকার প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার এবং ২৭ কোটির বেশি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

এই অনুমোদন আসে বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক থেকে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সয়াবিন তেল আমদানির সিদ্ধান্ত
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইজ থেকে ২৭ কোটি ১৫ লাখ লিটারের বেশি পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা।

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দাম স্থিতিশীল রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন
একই বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ১১তম লটে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগজাত দানাদার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। প্রতি টন ইউরিয়া সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০৫ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার।

সার গুদাম ও অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প
আমদানি প্রস্তাবের পাশাপাশি বৈঠকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা জোরদারে একাধিক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফরিদপুরে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি সার বাফার গুদাম নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, যার ব্যয় প্রায় ৪৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

একই প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধায় আরও একটি ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার সার গুদাম নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে আনুমানিক ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

নিরাপত্তা ও যোগাযোগ খাতে সিদ্ধান্ত
বৈঠকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য রাজস্ব বাজেটের আওতায় দুটি বড় উচ্চগতির নৌযান কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এছাড়া দেশের সড়ক নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ রোড সেফটি’ কর্মসূচির আওতায় তিনটি পৃথক ক্রয় প্রস্তাবও একই দিনে অনুমোদন পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রমজান সামনে রেখে সয়াবিন তেল ও সার আমদানিতে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

০৮:০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় সরকার প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার এবং ২৭ কোটির বেশি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

এই অনুমোদন আসে বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক থেকে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সয়াবিন তেল আমদানির সিদ্ধান্ত
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইজ থেকে ২৭ কোটি ১৫ লাখ লিটারের বেশি পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা।

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দাম স্থিতিশীল রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন
একই বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ১১তম লটে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগজাত দানাদার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। প্রতি টন ইউরিয়া সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০৫ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার।

সার গুদাম ও অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প
আমদানি প্রস্তাবের পাশাপাশি বৈঠকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা জোরদারে একাধিক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফরিদপুরে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি সার বাফার গুদাম নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, যার ব্যয় প্রায় ৪৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

একই প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধায় আরও একটি ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার সার গুদাম নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে আনুমানিক ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

নিরাপত্তা ও যোগাযোগ খাতে সিদ্ধান্ত
বৈঠকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য রাজস্ব বাজেটের আওতায় দুটি বড় উচ্চগতির নৌযান কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এছাড়া দেশের সড়ক নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ রোড সেফটি’ কর্মসূচির আওতায় তিনটি পৃথক ক্রয় প্রস্তাবও একই দিনে অনুমোদন পায়।