০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩২)

বোর্ডের আদেশমত জেলার মধ্য ও প্রাথমিক শিক্ষাকার্য নির্বাহিত হইতে লাগিল। জেলার “পুরস্কার প্রথা” রহিত করা এবং “বৃত্তি প্রথা” প্রচলিত করা গবর্ণমেন্টের নিয়মের বহির্ভূত বলিয়া, পুনরায় এক বৎসর পরেই “পুরস্কার প্রথা” প্রচলিত হইল এবং উচ্চ প্রাথমিক পাঠশালার “বৃত্তি প্রথাই” রহিল। “পুরস্কার প্রথা” প্রচলিত হওয়ায় আবার স্কুলের সংখ্যা বৃদ্ধি হইল। ১৮৯৮-৯৯ খ্রিস্টাব্দে রাজসাহী জেলার স্কুল ৬১২ এবং ছাত্র সংখ্যা ১৯৭২৪। মোট ৬১২ স্কুলের মধ্যে ৫৬৫টি পাঠশালা। ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ হইতে এই ৬৫ বৎসরে স্কুলের সংখ্যা যেরূপ বৃদ্ধি হইয়াছে, তাহা পূর্ব লিখিত বিবরণ পাঠেই জানা যাইবে।
রাজসাহী জেলা অপেক্ষা বর্ধমান, হুগলি প্রভৃতি জেলায় প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা অনেক বেশি এবং দেশীয় শিক্ষা অনেক ভালরূপে হয়; কিন্তু বর্ধমান, হুগলি প্রভৃতি জেলা অপেক্ষা রাজসাহীর অনেক নিম্ন প্রাথমিক পাঠশালায় ইউরোপীয় প্রণালীর শিক্ষা উৎকৃষ্ট হয়। এ বিভিন্নতার কারণ এই যে রাজসাহীতে যে সকল গুরুমহাশয় দেখা যায়, তাহাদের অধিকাংশ ইউরোপীয় প্রণালীর স্কুলের ছাত্র এবং দেশীয় মতের শিক্ষায় নিতান্ত অনভিজ্ঞ। পুরাতন গুরুমহাশয় ইউরোপীয় প্রণালীতে শিক্ষিত হইলে বা ইউরোপীয় প্রণালীর স্কুলের ছাত্রেরা দেশীয় প্রণালী মতে রীতিমত শিক্ষিত হইলে বঙ্গদেশের উপযুক্ত গুরুমহাশয় হইতে পারে। দেশীয় প্রণালীতে উত্তমরূপ শিক্ষা দিতে না পারিলে প্রকৃত কৃষকদের পাঠশালায় সন্তান পাঠাইতে অগ্রসর হইতে দেখা যায় না। কৃষকদের প্রয়োজনমত পাঠশালায় শিক্ষাপ্রদান করিলে প্রাথমিক স্কুলের যথেষ্ট উন্নতি হইবে তাহার আর সন্দেহ নাই।
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩২)

০৩:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বোর্ডের আদেশমত জেলার মধ্য ও প্রাথমিক শিক্ষাকার্য নির্বাহিত হইতে লাগিল। জেলার “পুরস্কার প্রথা” রহিত করা এবং “বৃত্তি প্রথা” প্রচলিত করা গবর্ণমেন্টের নিয়মের বহির্ভূত বলিয়া, পুনরায় এক বৎসর পরেই “পুরস্কার প্রথা” প্রচলিত হইল এবং উচ্চ প্রাথমিক পাঠশালার “বৃত্তি প্রথাই” রহিল। “পুরস্কার প্রথা” প্রচলিত হওয়ায় আবার স্কুলের সংখ্যা বৃদ্ধি হইল। ১৮৯৮-৯৯ খ্রিস্টাব্দে রাজসাহী জেলার স্কুল ৬১২ এবং ছাত্র সংখ্যা ১৯৭২৪। মোট ৬১২ স্কুলের মধ্যে ৫৬৫টি পাঠশালা। ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ হইতে এই ৬৫ বৎসরে স্কুলের সংখ্যা যেরূপ বৃদ্ধি হইয়াছে, তাহা পূর্ব লিখিত বিবরণ পাঠেই জানা যাইবে।
রাজসাহী জেলা অপেক্ষা বর্ধমান, হুগলি প্রভৃতি জেলায় প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা অনেক বেশি এবং দেশীয় শিক্ষা অনেক ভালরূপে হয়; কিন্তু বর্ধমান, হুগলি প্রভৃতি জেলা অপেক্ষা রাজসাহীর অনেক নিম্ন প্রাথমিক পাঠশালায় ইউরোপীয় প্রণালীর শিক্ষা উৎকৃষ্ট হয়। এ বিভিন্নতার কারণ এই যে রাজসাহীতে যে সকল গুরুমহাশয় দেখা যায়, তাহাদের অধিকাংশ ইউরোপীয় প্রণালীর স্কুলের ছাত্র এবং দেশীয় মতের শিক্ষায় নিতান্ত অনভিজ্ঞ। পুরাতন গুরুমহাশয় ইউরোপীয় প্রণালীতে শিক্ষিত হইলে বা ইউরোপীয় প্রণালীর স্কুলের ছাত্রেরা দেশীয় প্রণালী মতে রীতিমত শিক্ষিত হইলে বঙ্গদেশের উপযুক্ত গুরুমহাশয় হইতে পারে। দেশীয় প্রণালীতে উত্তমরূপ শিক্ষা দিতে না পারিলে প্রকৃত কৃষকদের পাঠশালায় সন্তান পাঠাইতে অগ্রসর হইতে দেখা যায় না। কৃষকদের প্রয়োজনমত পাঠশালায় শিক্ষাপ্রদান করিলে প্রাথমিক স্কুলের যথেষ্ট উন্নতি হইবে তাহার আর সন্দেহ নাই।