১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতেই বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর দলীয় মহাসচিবের পদসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইতোমধ্যে মহাসচিব এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে তার মনোনয়নপত্রও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নতুন অধ্যায়

৭৮ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে রয়েছেন। দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পর এবার রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হওয়ায় তার রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী দলীয় পদে থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। সেই কারণে দলীয় মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির পদ থেকে তার সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কে হবেন বিএনপির নতুন মহাসচিব?

মির্জা ফখরুলের পদত্যাগের পর বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, তা নিয়েও দলের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে তার সরকারি দায়িত্বের ভবিষ্যৎ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ২০১৬ সাল থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন এবং এরপর দলীয় শীর্ষ পদগুলো থেকে পদত্যাগ—দুই ঘটনাই দেশের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতেই বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল

০৭:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর দলীয় মহাসচিবের পদসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইতোমধ্যে মহাসচিব এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে তার মনোনয়নপত্রও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নতুন অধ্যায়

৭৮ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে রয়েছেন। দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পর এবার রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হওয়ায় তার রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী দলীয় পদে থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। সেই কারণে দলীয় মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির পদ থেকে তার সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কে হবেন বিএনপির নতুন মহাসচিব?

মির্জা ফখরুলের পদত্যাগের পর বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, তা নিয়েও দলের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে তার সরকারি দায়িত্বের ভবিষ্যৎ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ২০১৬ সাল থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন এবং এরপর দলীয় শীর্ষ পদগুলো থেকে পদত্যাগ—দুই ঘটনাই দেশের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।