০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রোজায় লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

রমজান মাস শুরু হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া রমজানের প্রভাব শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার কাঁচা বাজারে চোখে পড়েছে। মাছ, মাংস ও সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা চিন্তায় পড়েছেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি

পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, লেবুর হালি ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ধনে পাতা ৮০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা, শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কাঁচা পেঁপে ৪০ টাকা, সিম ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, আদা ১৫০-১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা বাজার ও ফুটপাতে দাম ভিন্ন

কাঁচা বাজারে লেবুর হালি ১০০ টাকা হলেও ফুটপাতে তা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢাকার সিএমএম কোর্ট সংলগ্ন ফুটপাতে এক নারী ক্রেতাদের লেবু ৪০ টাকায় দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “কাওরান বাজার থেকে লেবু এনে বিক্রি করি। মাঝে মাঝে শ্যামবাজার থেকেও আনি। লাভ খুব বেশি হয় না।”

মুরগি ও মাংসের মূল্য

রায়সাহেব বাজারে কক মুরগি ৩৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা খলিল জানান, রোজার মাসে মুরগির দাম বাড়ে। “যে কক মুরগি আগে ২৮০ টাকায় বিক্রি করতাম, এখন ৩৪০-৩৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতাদের বেশি দামে কিনতে হয়, তাই বিক্রি দামের বৃদ্ধি করতে হচ্ছে।”

গরু ও খাসির মাংসের বাজারেও দাম বেশি। গরুর মাংস ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন বাজারে খাসির মাংস ১,২৫০ থেকে ১,৩০০ টাকায় দেখা গেছে। গরুর মাংস বিক্রেতা জানান, “রমজানের আগে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হত, এখন ৫০ টাকা কমে ৮০০ টাকায় দিচ্ছি। আমরা চাই দাম কমেই থাকুক, তবে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী মাঝে মাঝে দাম বাড়ে।”

মাছ ও ডিমের দাম

কয়েকটি মাছের দামের তুলনায় ছোট ইলিশ ৬৫০, মাঝারি ৮৫০, বড় ইলিশ ১,৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২২০, ছোট রুই ২৮০, বড় রুই ৩৫০, ছোট পাঙাশ ২০০, বড় পাঙাশ ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। ফার্মের লাল ডিমের হালি ৪০, সাদা ডিম ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, রমজানের সময় প্রতি বছরই ডিমের দাম কম থাকে। এক ক্রেতা বললেন, “রায়সাহেব বাজার থেকে ডিম কিনি, আজ দেখলাম দাম কম। কয়েক দিন আগে একই ডিমের হালি ১০ টাকা বেশি খরচ করতে হতো। দাম কম থাকলে ভালো লাগে।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রোজায় লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

০৬:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজান মাস শুরু হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া রমজানের প্রভাব শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার কাঁচা বাজারে চোখে পড়েছে। মাছ, মাংস ও সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা চিন্তায় পড়েছেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি

পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, লেবুর হালি ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ধনে পাতা ৮০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা, শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কাঁচা পেঁপে ৪০ টাকা, সিম ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, আদা ১৫০-১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা বাজার ও ফুটপাতে দাম ভিন্ন

কাঁচা বাজারে লেবুর হালি ১০০ টাকা হলেও ফুটপাতে তা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢাকার সিএমএম কোর্ট সংলগ্ন ফুটপাতে এক নারী ক্রেতাদের লেবু ৪০ টাকায় দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “কাওরান বাজার থেকে লেবু এনে বিক্রি করি। মাঝে মাঝে শ্যামবাজার থেকেও আনি। লাভ খুব বেশি হয় না।”

মুরগি ও মাংসের মূল্য

রায়সাহেব বাজারে কক মুরগি ৩৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা খলিল জানান, রোজার মাসে মুরগির দাম বাড়ে। “যে কক মুরগি আগে ২৮০ টাকায় বিক্রি করতাম, এখন ৩৪০-৩৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতাদের বেশি দামে কিনতে হয়, তাই বিক্রি দামের বৃদ্ধি করতে হচ্ছে।”

গরু ও খাসির মাংসের বাজারেও দাম বেশি। গরুর মাংস ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন বাজারে খাসির মাংস ১,২৫০ থেকে ১,৩০০ টাকায় দেখা গেছে। গরুর মাংস বিক্রেতা জানান, “রমজানের আগে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হত, এখন ৫০ টাকা কমে ৮০০ টাকায় দিচ্ছি। আমরা চাই দাম কমেই থাকুক, তবে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী মাঝে মাঝে দাম বাড়ে।”

মাছ ও ডিমের দাম

কয়েকটি মাছের দামের তুলনায় ছোট ইলিশ ৬৫০, মাঝারি ৮৫০, বড় ইলিশ ১,৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২২০, ছোট রুই ২৮০, বড় রুই ৩৫০, ছোট পাঙাশ ২০০, বড় পাঙাশ ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। ফার্মের লাল ডিমের হালি ৪০, সাদা ডিম ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, রমজানের সময় প্রতি বছরই ডিমের দাম কম থাকে। এক ক্রেতা বললেন, “রায়সাহেব বাজার থেকে ডিম কিনি, আজ দেখলাম দাম কম। কয়েক দিন আগে একই ডিমের হালি ১০ টাকা বেশি খরচ করতে হতো। দাম কম থাকলে ভালো লাগে।”