০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সম্মেলন

কক্সবাজারে প্রস্তুতি সম্মেলন
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের উদ্যোগে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর অংশ হিসেবে ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে ‘অংশীজন সংলাপ: রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে আলোচনার জন্য প্রাপ্ত বার্তা’ শীর্ষক এক সম্মেলন আয়োজিত হচ্ছে।

কূটনীতিকদের ব্রিফিং
রবিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কক্সবাজার সম্মেলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ প্রায় ৫০টি দেশের মিশনের প্রতিনিধিদের সামনে রোহিঙ্গা সমস্যার বাস্তব চিত্র উপস্থাপন করেন এবং সবাইকে সম্মেলন সফল করতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক সমর্থন ও জাতিসংঘের ভূমিকা
খলিলুর রহমান বলেন, একসময় রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক আলোচনার তালিকা থেকে প্রায় হারিয়ে যাচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে গত বছর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং জাতিসংঘ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১০৬টি দেশ এই সম্মেলনকে স্পন্সর করেছে, যা আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটি বড় প্রমাণ।

রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার উদ্যোগ
নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও বলেন, আসন্ন সম্মেলন রোহিঙ্গাদের জন্য এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানের পথ খুঁজে বের করার বড় সুযোগ। যেহেতু রোহিঙ্গারা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই তাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নগুলোকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব বাংলাদেশ নিয়েছে। কক্সবাজার সম্মেলন সেই প্রক্রিয়ারই অংশ।

কূটনীতিকদের প্রতিক্রিয়া
ব্রিফিং শেষে উপস্থিত এক রাষ্ট্রদূত জানান, কক্সবাজার সম্মেলনের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এতে অংশগ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সম্মেলন

০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজারে প্রস্তুতি সম্মেলন
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের উদ্যোগে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর অংশ হিসেবে ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে ‘অংশীজন সংলাপ: রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে আলোচনার জন্য প্রাপ্ত বার্তা’ শীর্ষক এক সম্মেলন আয়োজিত হচ্ছে।

কূটনীতিকদের ব্রিফিং
রবিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কক্সবাজার সম্মেলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ প্রায় ৫০টি দেশের মিশনের প্রতিনিধিদের সামনে রোহিঙ্গা সমস্যার বাস্তব চিত্র উপস্থাপন করেন এবং সবাইকে সম্মেলন সফল করতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক সমর্থন ও জাতিসংঘের ভূমিকা
খলিলুর রহমান বলেন, একসময় রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক আলোচনার তালিকা থেকে প্রায় হারিয়ে যাচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে গত বছর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং জাতিসংঘ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১০৬টি দেশ এই সম্মেলনকে স্পন্সর করেছে, যা আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটি বড় প্রমাণ।

রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার উদ্যোগ
নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও বলেন, আসন্ন সম্মেলন রোহিঙ্গাদের জন্য এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানের পথ খুঁজে বের করার বড় সুযোগ। যেহেতু রোহিঙ্গারা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই তাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নগুলোকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব বাংলাদেশ নিয়েছে। কক্সবাজার সম্মেলন সেই প্রক্রিয়ারই অংশ।

কূটনীতিকদের প্রতিক্রিয়া
ব্রিফিং শেষে উপস্থিত এক রাষ্ট্রদূত জানান, কক্সবাজার সম্মেলনের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এতে অংশগ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।