১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

লাগোসের নাচ থামেনি মন্দার মধ্যেও

নাইজেরিয়া এক প্রজন্মের সবচেয়ে গভীর অর্থনৈতিক সংকটের ভেতর দিয়ে গেলেও লাগোস শহরে রাত নামলেই উৎসবের আলো নিভছে না। চারদিকে মূল্যস্ফীতি, বৈষম্য আর দারিদ্র্যের চাপ থাকলেও এই মহানগরীতে বিনোদন আর নাচের তালে মানুষ খুঁজে নিচ্ছে স্বস্তির মুহূর্ত।

অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও উৎসবের শহর
সারাক্ষণ ডেস্ক
রুপালি হিল আর ঝলমলে পোশাকে এক নৃত্যশিল্পী বিশাল কাচের গ্লাসের ভেতর দাঁড়িয়ে নাচছেন, চারপাশে কাগুজে নোটের বৃষ্টি। এই দৃশ্য লাগোসের বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। দেশের অর্থনীতি যখন চরম চাপে, তখনও শহরের ক্লাব আর ক্যাবারে ভরা দর্শকে। দ্য লাইব্রেরি নামের একটি ক্লাবে রাতের খাবারের সঙ্গে মঞ্চনাটক আর নৃত্য উপভোগ করছেন নানা বয়সের মানুষ।

নতুন রূপে ক্যাবারে সংস্কৃতি
সারাক্ষণ ডেস্ক
লাগোসের জনপ্রিয় ক্লাবগুলো নিজেদের নতুনভাবে সাজিয়েছে। স্থানীয় গায়ক ও নৃত্যশিল্পীদের পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্তের শিল্পীদের নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্য লাইব্রেরির সহপ্রতিষ্ঠাতা ভেমো এদুদু জানান, বইয়ের থিমে তৈরি এই ক্লাবকে তিনি দুই বছর আগে অভিজাত খাবারের জায়গায় রূপ দেন, যাতে সব বয়সী মানুষ আসতে পারেন। তাঁর ভাষায়, এখন এমন দৃশ্য দেখা যায় যেখানে ষাট পঁয়ষট্টি বছরের মানুষও খাবারের সঙ্গে অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন, যা আগে কল্পনাও করা যেত না।

ঝলমল আর আড়ম্বরের লাগোস
সারাক্ষণ ডেস্ক
উনিশ শতকের ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ক্যাবারে সংস্কৃতি আজ লাগোসের অভিজাত এলাকাগুলোতে নতুন রূপ পেয়েছে। ভিক্টোরিয়া আইল্যান্ডের রোকোকো রেস্তোরাঁয় ঝাড়বাতি, দেয়ালচিত্র আর রাজকীয় সাজে মিলছে আধুনিক সংগীত। খাবারের তালিকাও বিলাসবহুল, যা অনেক সময় দেশের ন্যূনতম মজুরির কয়েক গুণ দামের।

বৈষম্যের মাঝেই বিলাস
সারাক্ষণ ডেস্ক
নাইজেরিয়ার বাস্তবতায় তেলসম্পদের পাশে দারিদ্র্য আর বৈষম্য পাশাপাশি বাস করে। লাগোসের এক ক্লাবে এমন পানীয় বিক্রি হচ্ছে যার দাম শুনলে চমকে উঠতে হয়। একই শহরে যেখানে অনেক মানুষ দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম, সেখানে রাতের বিনোদনে খরচ হচ্ছে বিপুল অর্থ।

বিদেশি শিল্পীদের আগমন
সারাক্ষণ ডেস্ক
এই জাঁকজমক আন্তর্জাতিক শিল্পীদেরও টানছে। হাঙ্গেরির তরুণ অ্যাক্রোবেট ব্লাঙ্কা মুনকাচসি জানান, এক জায়গায় ক্লাব, মঞ্চ আর রেস্তোরাঁর এমন মিশ্রণ তিনি আগে দেখেননি। অন্যদিকে জাজা ক্লাবের সৃজনশীল পরিচালক জানান, তাঁদের লক্ষ্য একটাই, লাগোসে বিশ্বমানের বিনোদন এনে দেওয়া।

সারাক্ষণ ডেস্ক
তবে রাতভর নাচগান আর পার্টির শহরে শিল্পীদের মনোযোগ ধরে রাখা সহজ নয়। অনেক দর্শক অনুষ্ঠানের চেয়ে মোবাইল ফোনে বেশি ব্যস্ত। তবু জোরে বাজা সংগীত আর রঙিন আলো সেলফি তোলার পটভূমি হয়ে উঠছে, আর এভাবেই লাগোসের রাত এগিয়ে চলেছে।

#লাগোস #নাইজেরিয়া #অর্থনৈতিকসংকট #ক্যাবারে #নাইটলাইফ #বিশ্বসংস্কৃতি #শহরেরজীবন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

লাগোসের নাচ থামেনি মন্দার মধ্যেও

১২:১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নাইজেরিয়া এক প্রজন্মের সবচেয়ে গভীর অর্থনৈতিক সংকটের ভেতর দিয়ে গেলেও লাগোস শহরে রাত নামলেই উৎসবের আলো নিভছে না। চারদিকে মূল্যস্ফীতি, বৈষম্য আর দারিদ্র্যের চাপ থাকলেও এই মহানগরীতে বিনোদন আর নাচের তালে মানুষ খুঁজে নিচ্ছে স্বস্তির মুহূর্ত।

অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও উৎসবের শহর
সারাক্ষণ ডেস্ক
রুপালি হিল আর ঝলমলে পোশাকে এক নৃত্যশিল্পী বিশাল কাচের গ্লাসের ভেতর দাঁড়িয়ে নাচছেন, চারপাশে কাগুজে নোটের বৃষ্টি। এই দৃশ্য লাগোসের বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। দেশের অর্থনীতি যখন চরম চাপে, তখনও শহরের ক্লাব আর ক্যাবারে ভরা দর্শকে। দ্য লাইব্রেরি নামের একটি ক্লাবে রাতের খাবারের সঙ্গে মঞ্চনাটক আর নৃত্য উপভোগ করছেন নানা বয়সের মানুষ।

নতুন রূপে ক্যাবারে সংস্কৃতি
সারাক্ষণ ডেস্ক
লাগোসের জনপ্রিয় ক্লাবগুলো নিজেদের নতুনভাবে সাজিয়েছে। স্থানীয় গায়ক ও নৃত্যশিল্পীদের পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্তের শিল্পীদের নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্য লাইব্রেরির সহপ্রতিষ্ঠাতা ভেমো এদুদু জানান, বইয়ের থিমে তৈরি এই ক্লাবকে তিনি দুই বছর আগে অভিজাত খাবারের জায়গায় রূপ দেন, যাতে সব বয়সী মানুষ আসতে পারেন। তাঁর ভাষায়, এখন এমন দৃশ্য দেখা যায় যেখানে ষাট পঁয়ষট্টি বছরের মানুষও খাবারের সঙ্গে অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন, যা আগে কল্পনাও করা যেত না।

ঝলমল আর আড়ম্বরের লাগোস
সারাক্ষণ ডেস্ক
উনিশ শতকের ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ক্যাবারে সংস্কৃতি আজ লাগোসের অভিজাত এলাকাগুলোতে নতুন রূপ পেয়েছে। ভিক্টোরিয়া আইল্যান্ডের রোকোকো রেস্তোরাঁয় ঝাড়বাতি, দেয়ালচিত্র আর রাজকীয় সাজে মিলছে আধুনিক সংগীত। খাবারের তালিকাও বিলাসবহুল, যা অনেক সময় দেশের ন্যূনতম মজুরির কয়েক গুণ দামের।

বৈষম্যের মাঝেই বিলাস
সারাক্ষণ ডেস্ক
নাইজেরিয়ার বাস্তবতায় তেলসম্পদের পাশে দারিদ্র্য আর বৈষম্য পাশাপাশি বাস করে। লাগোসের এক ক্লাবে এমন পানীয় বিক্রি হচ্ছে যার দাম শুনলে চমকে উঠতে হয়। একই শহরে যেখানে অনেক মানুষ দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম, সেখানে রাতের বিনোদনে খরচ হচ্ছে বিপুল অর্থ।

বিদেশি শিল্পীদের আগমন
সারাক্ষণ ডেস্ক
এই জাঁকজমক আন্তর্জাতিক শিল্পীদেরও টানছে। হাঙ্গেরির তরুণ অ্যাক্রোবেট ব্লাঙ্কা মুনকাচসি জানান, এক জায়গায় ক্লাব, মঞ্চ আর রেস্তোরাঁর এমন মিশ্রণ তিনি আগে দেখেননি। অন্যদিকে জাজা ক্লাবের সৃজনশীল পরিচালক জানান, তাঁদের লক্ষ্য একটাই, লাগোসে বিশ্বমানের বিনোদন এনে দেওয়া।

সারাক্ষণ ডেস্ক
তবে রাতভর নাচগান আর পার্টির শহরে শিল্পীদের মনোযোগ ধরে রাখা সহজ নয়। অনেক দর্শক অনুষ্ঠানের চেয়ে মোবাইল ফোনে বেশি ব্যস্ত। তবু জোরে বাজা সংগীত আর রঙিন আলো সেলফি তোলার পটভূমি হয়ে উঠছে, আর এভাবেই লাগোসের রাত এগিয়ে চলেছে।

#লাগোস #নাইজেরিয়া #অর্থনৈতিকসংকট #ক্যাবারে #নাইটলাইফ #বিশ্বসংস্কৃতি #শহরেরজীবন