০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড

পাকিস্তানের ৯ মে ২০২৩ সালের সহিংসতা-সংক্রান্ত একটি মামলায় দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশিকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার লাহোরের কোট লাখপত কারাগারে স্থাপিত আদালতে এটিসির বিচারক মানজার আলী গুল সংরক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি ২০২৩ সালের ৯ মে বিক্ষোভের সময় পুলিশি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছিল।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার নেতা হলেন ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা, মাহমুদ উর রশিদ এবং এজাজ চৌধুরী। তারা সবাই পিটিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত।

মামলার পটভূমি

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে শাহ মাহমুদ কোরেশি, ডা. ইয়াসমিন রশিদ ও এজাজ চৌধুরীসহ পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছিলেন।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় সংরক্ষণ করেন। মামলার বিচারকাজ চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

পিটিআইয়ের জন্য নতুন ধাক্কা

সাম্প্রতিক এই রায় ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআইয়ের জন্য নতুন আইনি চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৯ মে-সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় ইতোমধ্যে দলটির বহু নেতা ও কর্মী সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ আরও অনেক নেতা বিভিন্ন মামলায় এখনো কারাগারে রয়েছেন।

ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা এবং এজাজ চৌধুরী এর আগেও ৯ মে-সংক্রান্ত অন্য কয়েকটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

কেন শুরু হয়েছিল ৯ মে’র সহিংসতা

২০২৩ সালের ৯ মে দুর্নীতির একটি মামলায় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে তার সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হাজার হাজার সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।

লাহোরে কর্পস কমান্ডারের বাসভবনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এলাকাও বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের মুখে পড়ে।

পরবর্তীতে সহিংসতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পিটিআইয়ের বহু নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পেলেও অনেকে এখনো কারাগারে রয়েছেন।

পাকিস্তানে ৯ মে মামলার রায়: চার পিটিআই নেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড, কোরেশি খালাস

পাকিস্তানের ৯ মে সহিংসতা-সংক্রান্ত মামলায় চার পিটিআই নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং শাহ মাহমুদ কোরেশির খালাসের রায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড

০৭:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাকিস্তানের ৯ মে ২০২৩ সালের সহিংসতা-সংক্রান্ত একটি মামলায় দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশিকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার লাহোরের কোট লাখপত কারাগারে স্থাপিত আদালতে এটিসির বিচারক মানজার আলী গুল সংরক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি ২০২৩ সালের ৯ মে বিক্ষোভের সময় পুলিশি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছিল।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার নেতা হলেন ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা, মাহমুদ উর রশিদ এবং এজাজ চৌধুরী। তারা সবাই পিটিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত।

মামলার পটভূমি

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে শাহ মাহমুদ কোরেশি, ডা. ইয়াসমিন রশিদ ও এজাজ চৌধুরীসহ পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছিলেন।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায় সংরক্ষণ করেন। মামলার বিচারকাজ চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

পিটিআইয়ের জন্য নতুন ধাক্কা

সাম্প্রতিক এই রায় ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআইয়ের জন্য নতুন আইনি চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৯ মে-সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় ইতোমধ্যে দলটির বহু নেতা ও কর্মী সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ আরও অনেক নেতা বিভিন্ন মামলায় এখনো কারাগারে রয়েছেন।

ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চিমা এবং এজাজ চৌধুরী এর আগেও ৯ মে-সংক্রান্ত অন্য কয়েকটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

কেন শুরু হয়েছিল ৯ মে’র সহিংসতা

২০২৩ সালের ৯ মে দুর্নীতির একটি মামলায় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে তার সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হাজার হাজার সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিভিন্ন সরকারি ও সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।

লাহোরে কর্পস কমান্ডারের বাসভবনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এছাড়া রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এলাকাও বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের মুখে পড়ে।

পরবর্তীতে সহিংসতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পিটিআইয়ের বহু নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পেলেও অনেকে এখনো কারাগারে রয়েছেন।

পাকিস্তানে ৯ মে মামলার রায়: চার পিটিআই নেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড, কোরেশি খালাস

পাকিস্তানের ৯ মে সহিংসতা-সংক্রান্ত মামলায় চার পিটিআই নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং শাহ মাহমুদ কোরেশির খালাসের রায়।