০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শিলাবৃষ্টিতে হবিগঞ্জের ৪ উপজেলায় বোরো ফসলের ক্ষতি

গত তিন দিনে শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে হবিগঞ্জ জেলার চারটি উপজেলার মোট ১৩টি ইউনিয়নের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোর মধ্যে রয়েছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর, বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া, লাখাই, সুবিদপুর ও উত্তর-পূর্ব ইউনিয়ন নং ১, সদর উপজেলার লুকড়া, রিচি, নিজামপুর, লস্করপুর, গোপায়া ও পইল এবং চুনারুঘাট উপজেলার শানবিলা ও দেওয়ানহাটা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ও ধরন
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ এপ্রিল রাতে শুরু হয়ে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পুনরায় শিলাবৃষ্টি ও প্রবল বাতাস আঘাত হানে। এতে জেলার বিভিন্ন স্থানে বোরো ধানের ক্ষেতসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ক্ষতির পরিমাণ
প্রাথমিক হিসেবে জানা গেছে, আজমিরীগঞ্জে প্রায় ১৫ হেক্টর, বানিয়াচংয়ে ৩০ হেক্টর, সদর উপজেলায় ৯০ হেক্টর এবং চুনারুঘাটে ১১ হেক্টর বোরো ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া চুনারুঘাটে প্রায় ৮ হেক্টর মৌসুমি সবজির ক্ষতি হয়েছে।

হবিগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল ৫০০ একর জমির বোরো ফসল

কৃষকের অভিজ্ঞতা
শানবিলা ইউনিয়নের উত্তর গোরাঙ্গ গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান জানান, ১৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে হওয়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে তার দেড় বিঘা জমির প্রায় অর্ধেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, গোরাঙ্গী দীঘিরপাড়, মহিমাবাদ, লালচান, শানবিলা এবং পাশের দেওয়ানহাটা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ বোরো ক্ষেতও একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তবতা
চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

অতিরিক্ত বৃষ্টির প্রভাব
অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, ফলে প্রায় ২৮১ হেক্টর জমির বোরো ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শিলাবৃষ্টিতে হবিগঞ্জের ৪ উপজেলায় বোরো ফসলের ক্ষতি

০৩:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

গত তিন দিনে শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে হবিগঞ্জ জেলার চারটি উপজেলার মোট ১৩টি ইউনিয়নের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোর মধ্যে রয়েছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর, বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া, লাখাই, সুবিদপুর ও উত্তর-পূর্ব ইউনিয়ন নং ১, সদর উপজেলার লুকড়া, রিচি, নিজামপুর, লস্করপুর, গোপায়া ও পইল এবং চুনারুঘাট উপজেলার শানবিলা ও দেওয়ানহাটা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ও ধরন
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ এপ্রিল রাতে শুরু হয়ে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পুনরায় শিলাবৃষ্টি ও প্রবল বাতাস আঘাত হানে। এতে জেলার বিভিন্ন স্থানে বোরো ধানের ক্ষেতসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ক্ষতির পরিমাণ
প্রাথমিক হিসেবে জানা গেছে, আজমিরীগঞ্জে প্রায় ১৫ হেক্টর, বানিয়াচংয়ে ৩০ হেক্টর, সদর উপজেলায় ৯০ হেক্টর এবং চুনারুঘাটে ১১ হেক্টর বোরো ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া চুনারুঘাটে প্রায় ৮ হেক্টর মৌসুমি সবজির ক্ষতি হয়েছে।

হবিগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল ৫০০ একর জমির বোরো ফসল

কৃষকের অভিজ্ঞতা
শানবিলা ইউনিয়নের উত্তর গোরাঙ্গ গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান জানান, ১৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে হওয়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে তার দেড় বিঘা জমির প্রায় অর্ধেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, গোরাঙ্গী দীঘিরপাড়, মহিমাবাদ, লালচান, শানবিলা এবং পাশের দেওয়ানহাটা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ বোরো ক্ষেতও একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তবতা
চলতি মৌসুমে জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে।

অতিরিক্ত বৃষ্টির প্রভাব
অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, ফলে প্রায় ২৮১ হেক্টর জমির বোরো ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে।