১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করতেই হবে, দায়সারা ব্যবস্থার অবসান চাই

জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার, ১৭ জন নিহত। অথচ দেশের আদালতে দীর্ঘসূত্রিতা, দুর্বল তদন্ত আর সামাজিক চাপে ভেঙে পড়া পরিবারগুলো বিচার পায় না। ডেইলি স্টার তাদের সম্পাদকীয়তে সরাসরি বলেছে, এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে।

পরিচিত মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধী

গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে দশটি শিশু ধর্ষণের ঘটনার নয়টিতেই অপরাধী পরিচিত। প্রতিবেশী, আত্মীয় বা কাছের মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী। এই ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট।

সংবিধান কী বলছে, বাস্তব কোথায়

সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদ শিশুর জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করে। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। লজ্জা, ভয় ও সামাজিক চাপে অনেক ঘটনাই থানায় যায় না।

কী দাবি করছে নাগরিক সমাজ

দেশের নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম দাবি করছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল কার্যকর করা হোক, পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানো হোক এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হোক।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত না হলে এই সংকট থামবে না। মাত্র চার মাসে ১১৮ শিশু ধর্ষিত, ১৭ জন নিহত। রাষ্ট্রের জবাবদিহি কোথায়?

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করতেই হবে, দায়সারা ব্যবস্থার অবসান চাই

০৮:১৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার, ১৭ জন নিহত। অথচ দেশের আদালতে দীর্ঘসূত্রিতা, দুর্বল তদন্ত আর সামাজিক চাপে ভেঙে পড়া পরিবারগুলো বিচার পায় না। ডেইলি স্টার তাদের সম্পাদকীয়তে সরাসরি বলেছে, এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে।

পরিচিত মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধী

গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে দশটি শিশু ধর্ষণের ঘটনার নয়টিতেই অপরাধী পরিচিত। প্রতিবেশী, আত্মীয় বা কাছের মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী। এই ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট।

সংবিধান কী বলছে, বাস্তব কোথায়

সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদ শিশুর জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করে। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। লজ্জা, ভয় ও সামাজিক চাপে অনেক ঘটনাই থানায় যায় না।

কী দাবি করছে নাগরিক সমাজ

দেশের নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম দাবি করছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল কার্যকর করা হোক, পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানো হোক এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হোক।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত না হলে এই সংকট থামবে না। মাত্র চার মাসে ১১৮ শিশু ধর্ষিত, ১৭ জন নিহত। রাষ্ট্রের জবাবদিহি কোথায়?