১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত শারমিন একাডেমির এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চার বছরের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জনমনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রেপ্তারের ঘটনা
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম পবিত্র কুমার বড়ুয়া। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ বছর। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর ছয় নম্বর এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী শিশুর নাম মুহাম্মদ ফারজ বিন আমান। সে গত উনিশ নভেম্বর দুই হাজার পঁচিশ সালে শারমিন একাডেমির প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয়। চলতি বছরের আঠারো জানুয়ারি সকাল এগারোটা বিশ মিনিটের দিকে তার মা তাকে স্কুলে রেখে যান।

বিকেলে শিশুটিকে নিতে এসে মা দেখতে পান, স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়া একটি অফিস কক্ষে শিশুটিকে ধরে রেখেছেন। পরে শিশুটি তার বাবা-মাকে জানায়, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।

ভিডিও ও প্রমাণ
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়তায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজেও শিশুটির ওপর নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা
নির্যাতনের ফলে শিশুটির মাথা, গলা ও কানে আঘাত লাগে। প্রথমে তাকে নয়াপল্টন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলা ও আইনি পদক্ষেপ
শিশুটির মা বাইশ জানুয়ারি শিশু আইনে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান, তার স্বামী এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শিশু নির্যাতনের অভিযোগে শারমিন একাডেমির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

০৭:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত শারমিন একাডেমির এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চার বছরের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জনমনে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

গ্রেপ্তারের ঘটনা
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম পবিত্র কুমার বড়ুয়া। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ বছর। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর ছয় নম্বর এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী শিশুর নাম মুহাম্মদ ফারজ বিন আমান। সে গত উনিশ নভেম্বর দুই হাজার পঁচিশ সালে শারমিন একাডেমির প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয়। চলতি বছরের আঠারো জানুয়ারি সকাল এগারোটা বিশ মিনিটের দিকে তার মা তাকে স্কুলে রেখে যান।

বিকেলে শিশুটিকে নিতে এসে মা দেখতে পান, স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়া একটি অফিস কক্ষে শিশুটিকে ধরে রেখেছেন। পরে শিশুটি তার বাবা-মাকে জানায়, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।

ভিডিও ও প্রমাণ
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়তায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজেও শিশুটির ওপর নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা
নির্যাতনের ফলে শিশুটির মাথা, গলা ও কানে আঘাত লাগে। প্রথমে তাকে নয়াপল্টন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলা ও আইনি পদক্ষেপ
শিশুটির মা বাইশ জানুয়ারি শিশু আইনে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ শারমিন জাহান, তার স্বামী এবং পবিত্র কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।