০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শেয়ারবাজারে ধস অব্যাহত: ডিএসই-তে লেনদেন ৩০০ কোটি টাকার নিচে

বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত
দেশের পুঁজিবাজারে চলমান নিম্নমুখী ধারা সোমবারও থামেনি। ঢাকার স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের লেনদেন নেমে আসে ৩০০ কোটি টাকার নিচে, সূচকেও দেখা যায় আরও পতন।

দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স (DSEX) ৩৯ পয়েন্ট কমে বন্ধ হয়। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস (DSES) কমেছে ১১ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ (DS30) কমেছে ১৮ পয়েন্ট।


লেনদেন ও শেয়ারের অবস্থা
ডিএসইতে দিনের মোট লেনদেন হয় ৩৫৬ কোটি টাকার, যা আগের দিনের ৪০২ কোটি টাকার তুলনায় কম।

বাজারে ২৭৫টি কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে, মাত্র ৭০টির বেড়েছে এবং ৪১টির কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনটি ক্যাটাগরি—এ, বি ও জেড—সবগুলোতেই ক্ষতি হয়েছে।

এ-ক্যাটাগরির ১৪৪টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৪৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, বাকি ১০১টির কমেছে।


ব্লক মার্কেটের লেনদেন ও শীর্ষ কোম্পানি
ব্লক মার্কেটে মোট ২৮টি কোম্পানির ১১ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের, যার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

দিনের সেরা পারফর্মার ছিল পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড, যার শেয়ারের দর বেড়েছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। অন্যদিকে ফেয়ারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারের দর ৯ শতাংশের বেশি কমে দিনের সবচেয়ে খারাপ পারফর্মার হয়।


চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই চিত্র
বাজারের নেতিবাচক প্রবণতা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে প্রধান সূচক ১৪০ পয়েন্ট কমে যায়।

সিএসইতে ১২৭টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে, ৩৭টির বেড়েছে এবং ৯টির কোনো পরিবর্তন হয়নি। দিনের মোট লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি টাকার, যা আগের দিনের ২২ কোটি টাকার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

সিএসইতেও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখে, শেয়ারমূল্য ১১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়। বিপরীতে, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর ১০ শতাংশ কমে দিনের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


বাজার বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়া, তারল্য সংকট এবং বাজারে নতুন প্রণোদনার অভাবের কারণে লেনদেনের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে কমছে। তারা বলছেন, বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে শক্তিশালী নীতিগত সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি জরুরি।


#বাংলাদেশ #পুঁজিবাজার #ডিএসই #সিএসই #অর্থনীতি #লেনদেন #শেয়ারবাজার

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শেয়ারবাজারে ধস অব্যাহত: ডিএসই-তে লেনদেন ৩০০ কোটি টাকার নিচে

০৮:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত
দেশের পুঁজিবাজারে চলমান নিম্নমুখী ধারা সোমবারও থামেনি। ঢাকার স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের লেনদেন নেমে আসে ৩০০ কোটি টাকার নিচে, সূচকেও দেখা যায় আরও পতন।

দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স (DSEX) ৩৯ পয়েন্ট কমে বন্ধ হয়। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস (DSES) কমেছে ১১ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ (DS30) কমেছে ১৮ পয়েন্ট।


লেনদেন ও শেয়ারের অবস্থা
ডিএসইতে দিনের মোট লেনদেন হয় ৩৫৬ কোটি টাকার, যা আগের দিনের ৪০২ কোটি টাকার তুলনায় কম।

বাজারে ২৭৫টি কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে, মাত্র ৭০টির বেড়েছে এবং ৪১টির কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনটি ক্যাটাগরি—এ, বি ও জেড—সবগুলোতেই ক্ষতি হয়েছে।

এ-ক্যাটাগরির ১৪৪টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৪৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, বাকি ১০১টির কমেছে।


ব্লক মার্কেটের লেনদেন ও শীর্ষ কোম্পানি
ব্লক মার্কেটে মোট ২৮টি কোম্পানির ১১ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের, যার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

দিনের সেরা পারফর্মার ছিল পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড, যার শেয়ারের দর বেড়েছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। অন্যদিকে ফেয়ারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারের দর ৯ শতাংশের বেশি কমে দিনের সবচেয়ে খারাপ পারফর্মার হয়।


চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই চিত্র
বাজারের নেতিবাচক প্রবণতা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে প্রধান সূচক ১৪০ পয়েন্ট কমে যায়।

সিএসইতে ১২৭টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে, ৩৭টির বেড়েছে এবং ৯টির কোনো পরিবর্তন হয়নি। দিনের মোট লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি টাকার, যা আগের দিনের ২২ কোটি টাকার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

সিএসইতেও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখে, শেয়ারমূল্য ১১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়। বিপরীতে, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর ১০ শতাংশ কমে দিনের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


বাজার বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়া, তারল্য সংকট এবং বাজারে নতুন প্রণোদনার অভাবের কারণে লেনদেনের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে কমছে। তারা বলছেন, বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে শক্তিশালী নীতিগত সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি জরুরি।


#বাংলাদেশ #পুঁজিবাজার #ডিএসই #সিএসই #অর্থনীতি #লেনদেন #শেয়ারবাজার