০৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

শ্লীলতাহানির অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই সহযোগী অধ্যাপককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত শেষে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই বরখাস্তাদেশ বহাল থাকবে।

সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত

শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ উনিশতম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে উপাচার্য ড. শওকত আলী নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের একজন ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শামীম হোসেন, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বেও ছিলেন। অন্যজন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাকিবুল ইসলাম। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শাকিবুল ইসলাম কোনো ছাত্রীকে তত্ত্বাবধান করতে পারবেন না।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ ও ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর-রশীদ জানান, তদন্ত কমিটি উভয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে। বিষয়টি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে এবং সেখানেই চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণ হবে। ট্রাইব্যুনালের রায় না হওয়া পর্যন্ত দুই শিক্ষক বরখাস্ত থাকবেন।

পৃথক অভিযোগের সূত্র

গত বছরের দুটি পৃথক লিখিত অভিযোগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত। দুই হাজার পঁচিশ সালের দুই নভেম্বর দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক শিক্ষার্থী শাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দাখিল করেন। এর আগে একই বছরের ত্রিশ অক্টোবর ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রী শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে একত্রিশ পৃষ্ঠার হাতে লেখা অভিযোগ জমা দেন।

বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিদ্যমান বিধি মেনেই পুরো বিষয়টি পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

শ্লীলতাহানির অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

০৬:১৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই সহযোগী অধ্যাপককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত শেষে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই বরখাস্তাদেশ বহাল থাকবে।

সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত

শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ উনিশতম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে উপাচার্য ড. শওকত আলী নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের একজন ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শামীম হোসেন, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বেও ছিলেন। অন্যজন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাকিবুল ইসলাম। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শাকিবুল ইসলাম কোনো ছাত্রীকে তত্ত্বাবধান করতে পারবেন না।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ ও ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর-রশীদ জানান, তদন্ত কমিটি উভয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে। বিষয়টি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে এবং সেখানেই চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণ হবে। ট্রাইব্যুনালের রায় না হওয়া পর্যন্ত দুই শিক্ষক বরখাস্ত থাকবেন।

পৃথক অভিযোগের সূত্র

গত বছরের দুটি পৃথক লিখিত অভিযোগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত। দুই হাজার পঁচিশ সালের দুই নভেম্বর দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক শিক্ষার্থী শাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দাখিল করেন। এর আগে একই বছরের ত্রিশ অক্টোবর ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রী শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে একত্রিশ পৃষ্ঠার হাতে লেখা অভিযোগ জমা দেন।

বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিদ্যমান বিধি মেনেই পুরো বিষয়টি পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।