১০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সংসদের নিম্নমানের হেডফোনে ক্ষোভ, ‘কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা’—বললেন ব্যারিস্টার আরমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মির আহমেদ বিন কাশেম, যিনি ব্যারিস্টার আরমান নামেই বেশি পরিচিত। সংসদ সদস্যদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হেডফোনের মান এতটাই নিম্নমানের যে সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে তার কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে অসন্তোষও জানান এই সংসদ সদস্য।

সংসদের সরঞ্জাম নিয়ে অসন্তোষ
বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শেষ দিকে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার আরমান। পোস্টে তিনি সংসদে দেওয়া কালো রঙের একটি হেডফোনের ছবি প্রকাশ করেন এবং লিখেছেন, সংসদের জন্য সরবরাহ করা এই হেডফোনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা অনুভব করেছেন বলে জানান তিনি।

তার দাবি, হেডফোনটির শব্দের মানও অত্যন্ত খারাপ। এমনকি সংসদের পুরোনো যন্ত্রপাতিগুলোও এর চেয়ে পরিষ্কার শব্দ দিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পুরো বিষয়টি তাকে হতাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার আরমান।

সংসদের পুরোনো ডিভাইসও এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই: ব্যারিস্টার আরমান  - দৈনিক সংগ্রাম

অধিবেশনে মাইকে যান্ত্রিক ত্রুটি
এদিকে একই অধিবেশনে মাইকের শব্দ নিয়েও দেখা দেয় যান্ত্রিক সমস্যা। অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ করে শব্দে বিঘ্ন ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রায় বিশ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন।

পরে বিরতি শেষে দুপুরের দিকে স্পিকারের সভাপতিত্বে আবারও অধিবেশন শুরু হয়। তবে তখনও মাইকে শব্দ বিভ্রাট থাকায় কিছু সময় স্পিকারকে হাতে ধরা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে অধিবেশন পরিচালনা করতে দেখা যায়।

এই ঘটনায় সংসদের প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সংসদের নিম্নমানের হেডফোনে ক্ষোভ, ‘কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা’—বললেন ব্যারিস্টার আরমান

০৩:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মির আহমেদ বিন কাশেম, যিনি ব্যারিস্টার আরমান নামেই বেশি পরিচিত। সংসদ সদস্যদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হেডফোনের মান এতটাই নিম্নমানের যে সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে তার কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে অসন্তোষও জানান এই সংসদ সদস্য।

সংসদের সরঞ্জাম নিয়ে অসন্তোষ
বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শেষ দিকে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার আরমান। পোস্টে তিনি সংসদে দেওয়া কালো রঙের একটি হেডফোনের ছবি প্রকাশ করেন এবং লিখেছেন, সংসদের জন্য সরবরাহ করা এই হেডফোনের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। সেটি ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা অনুভব করেছেন বলে জানান তিনি।

তার দাবি, হেডফোনটির শব্দের মানও অত্যন্ত খারাপ। এমনকি সংসদের পুরোনো যন্ত্রপাতিগুলোও এর চেয়ে পরিষ্কার শব্দ দিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পুরো বিষয়টি তাকে হতাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার আরমান।

সংসদের পুরোনো ডিভাইসও এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই: ব্যারিস্টার আরমান  - দৈনিক সংগ্রাম

অধিবেশনে মাইকে যান্ত্রিক ত্রুটি
এদিকে একই অধিবেশনে মাইকের শব্দ নিয়েও দেখা দেয় যান্ত্রিক সমস্যা। অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ করে শব্দে বিঘ্ন ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রায় বিশ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন।

পরে বিরতি শেষে দুপুরের দিকে স্পিকারের সভাপতিত্বে আবারও অধিবেশন শুরু হয়। তবে তখনও মাইকে শব্দ বিভ্রাট থাকায় কিছু সময় স্পিকারকে হাতে ধরা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে অধিবেশন পরিচালনা করতে দেখা যায়।

এই ঘটনায় সংসদের প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মান এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।