১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী: পিক্সেল ১০এ-কে যে হার্ডওয়্যার শিক্ষা দিল

গুগলের পিক্সেল ১০এ মধ্যম বাজেটের স্মার্টফোন বাজারে বেশ শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। ৪৯৯ মার্কিন ডলারের দামে ফোনটি উন্নত সফটওয়্যার, চমৎকার আকার এবং ছোট ক্যামেরা সেন্সর ব্যবহার করেও ভালো ছবি তোলার সক্ষমতার জন্য প্রশংসিত। তবে হার্ডওয়্যারের দিক থেকে পিক্সেল ১০এ-তে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। এর মূল শক্তি সফটওয়্যারনির্ভর।

এই জায়গাতেই সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী ভিন্ন ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করেছে। সনি নতুন ফোনটিতে এমন কিছু সুবিধা রেখেছে, যেগুলো আধুনিক স্মার্টফোনে ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে।

পুরোনো কিন্তু কার্যকর সুবিধাগুলো ধরে রেখেছে সনি

এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে রয়েছে ৩.৫ মিলিমিটারের হেডফোন সংযোগ, দুই টেরাবাইট পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, আলাদা শারীরিক ক্যামেরা বোতাম, সামনে মুখী স্টেরিও স্পিকার এবং পাশে আঙুলের ছাপ শনাক্তকারী ব্যবস্থা।

স্মার্টফোন নির্মাতারা যেখানে ধীরে ধীরে হেডফোন সংযোগ ও বাড়তি মেমোরি ব্যবহারের সুযোগ বাদ দিচ্ছে, সেখানে সনি ঠিক উল্টো পথে হাঁটছে। ফোনটিতে ১২৮ গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণক্ষমতার পাশাপাশি মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

অডিওপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে উচ্চমানের শব্দপ্রযুক্তির বেশ কিছু সুবিধা। ফলে তারযুক্ত হেডফোন ব্যবহার করতে চাওয়া ব্যবহারকারীদের জন্য ফোনটি এখনকার বাজারে বেশ আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

ক্যামেরায় থাকছে আলাদা শারীরিক বোতাম

এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীর অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আলাদা ক্যামেরা বোতাম। পর্দা বন্ধ থাকলেও এই বোতাম ব্যবহার করে দ্রুত ক্যামেরা চালু করা যায়। ছবি তোলার সময় পর্দার ওপর নির্ভর না করে সরাসরি শারীরিক নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায়।

সনি ফোনটির প্রতিদিনের ব্যবহারের হার্ডওয়্যারেও উন্নতি করেছে। এতে রয়েছে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চির ১২০ হার্টজ ওএলইডি পর্দা, যা আগের মডেলের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। সামনের স্টেরিও স্পিকারও আগের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি জোরালো এবং নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দ উৎপাদন ৩০ শতাংশের বেশি শক্তিশালী।

ফোনটির উচ্চতা মাত্র ১৫৩ মিলিমিটার এবং ওজন ১৬৮ গ্রাম। ফলে বড় পর্দার ভারী ফোনের তুলনায় এটি হাতে তুলনামূলকভাবে ছোট ও আরামদায়ক হওয়ার কথা।Sony's latest Xperia has the hardware I wish the Pixel 10a offered -  Digital Trends

বড় ব্যাটারি ও শক্ত সুরক্ষা

এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে রয়েছে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টার ব্যাটারি। সনির দাবি, একবার পূর্ণ চার্জে ফোনটি দুই দিন পর্যন্ত চলতে পারে। ব্যাটারির সক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে ধরে রাখার জন্য চার বছর পর্যন্ত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে আইপি৬৫ ও আইপি৬৮ মানের পানি ও ধুলা প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস ২ সুরক্ষা।

এখানে সনির অবস্থানটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। হেডফোন সংযোগ বাদ দেওয়ার সময় অনেক নির্মাতা যুক্তি দিয়েছিল, এতে ফোনের ভেতরে জায়গা তৈরি হয় এবং পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী দেখিয়ে দিচ্ছে, হেডফোন সংযোগ রেখেও শক্তিশালী পানি প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব।

সমস্যা হলো দাম

তবে ফোনটির সবকিছুই যে আকর্ষণীয়, তা নয়। এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে ব্যবহার করা হয়েছে তুলনামূলক পুরোনো স্ন্যাপড্রাগন ৬ জেন ৩ চিপসেট এবং ৮ গিগাবাইট র‌্যাম। ক্যামেরা ব্যবস্থাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং ১৩ মেগাপিক্সেলের অতি প্রশস্ত ক্যামেরা।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে দাম নিয়ে। ইউরোপে ফোনটির দাম ৫৯৯ ইউরো এবং যুক্তরাজ্যে ৫৪৯ পাউন্ড। আগের এক্সপেরিয়া ১০ সপ্তমীর তুলনায় এটি যথাক্রমে ১৫০ ইউরো ও ১৫০ পাউন্ড বেশি।

নতুন মডেলটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে বাজারে আসার কথা। যুক্তরাষ্ট্রে সনি আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সপেরিয়া ফোন বিক্রি করে না।

সফটওয়্যার সমর্থনের ক্ষেত্রে অবশ্য সনি চারটি বড় সংস্করণ এবং ছয় বছর নিরাপত্তা হালনাগাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে তুলনামূলক কম দামের পিক্সেল ১০এ-তে গুগল সাত বছর পর্যন্ত সফটওয়্যার ও নিরাপত্তা হালনাগাদ দিচ্ছে। পাশাপাশি পিক্সেল ফোনে রয়েছে আরও বিস্তৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সুবিধা ও বিশেষ কল ব্যবস্থাপনা।

দুই ফোনের দর্শন সম্পূর্ণ আলাদা

পিক্সেল ১০এ এবং এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী যেন একই বাজারের জন্য দুই বিপরীত দর্শনের প্রতিনিধিত্ব করছে। পিক্সেল ১০এ ব্যবহারকারীকে হার্ডওয়্যারের তালিকা নিয়ে কম ভাবতে উৎসাহিত করে, কারণ এর সফটওয়্যার অভিজ্ঞতাই মূল আকর্ষণ।

অন্যদিকে সনি মনে করিয়ে দিচ্ছে, হেডফোন সংযোগ, বাড়তি সংরক্ষণক্ষমতা, শক্তিশালী স্টেরিও স্পিকার এবং ক্যামেরার শারীরিক বোতামের মতো সুবিধা এখনও একটি ফোনকে আলাদা করে তুলতে পারে।

তবে সনির এই পুরোনো অথচ ব্যবহারিক হার্ডওয়্যার দর্শন আরও আকর্ষণীয় হতে পারত, যদি এর জন্য আগের মডেলের তুলনায় এতটা বেশি দাম না দিতে হতো।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী: পিক্সেল ১০এ-কে যে হার্ডওয়্যার শিক্ষা দিল

০৬:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

গুগলের পিক্সেল ১০এ মধ্যম বাজেটের স্মার্টফোন বাজারে বেশ শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। ৪৯৯ মার্কিন ডলারের দামে ফোনটি উন্নত সফটওয়্যার, চমৎকার আকার এবং ছোট ক্যামেরা সেন্সর ব্যবহার করেও ভালো ছবি তোলার সক্ষমতার জন্য প্রশংসিত। তবে হার্ডওয়্যারের দিক থেকে পিক্সেল ১০এ-তে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। এর মূল শক্তি সফটওয়্যারনির্ভর।

এই জায়গাতেই সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী ভিন্ন ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করেছে। সনি নতুন ফোনটিতে এমন কিছু সুবিধা রেখেছে, যেগুলো আধুনিক স্মার্টফোনে ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে।

পুরোনো কিন্তু কার্যকর সুবিধাগুলো ধরে রেখেছে সনি

এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে রয়েছে ৩.৫ মিলিমিটারের হেডফোন সংযোগ, দুই টেরাবাইট পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, আলাদা শারীরিক ক্যামেরা বোতাম, সামনে মুখী স্টেরিও স্পিকার এবং পাশে আঙুলের ছাপ শনাক্তকারী ব্যবস্থা।

স্মার্টফোন নির্মাতারা যেখানে ধীরে ধীরে হেডফোন সংযোগ ও বাড়তি মেমোরি ব্যবহারের সুযোগ বাদ দিচ্ছে, সেখানে সনি ঠিক উল্টো পথে হাঁটছে। ফোনটিতে ১২৮ গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণক্ষমতার পাশাপাশি মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

অডিওপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে উচ্চমানের শব্দপ্রযুক্তির বেশ কিছু সুবিধা। ফলে তারযুক্ত হেডফোন ব্যবহার করতে চাওয়া ব্যবহারকারীদের জন্য ফোনটি এখনকার বাজারে বেশ আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

ক্যামেরায় থাকছে আলাদা শারীরিক বোতাম

এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীর অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আলাদা ক্যামেরা বোতাম। পর্দা বন্ধ থাকলেও এই বোতাম ব্যবহার করে দ্রুত ক্যামেরা চালু করা যায়। ছবি তোলার সময় পর্দার ওপর নির্ভর না করে সরাসরি শারীরিক নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায়।

সনি ফোনটির প্রতিদিনের ব্যবহারের হার্ডওয়্যারেও উন্নতি করেছে। এতে রয়েছে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চির ১২০ হার্টজ ওএলইডি পর্দা, যা আগের মডেলের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। সামনের স্টেরিও স্পিকারও আগের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি জোরালো এবং নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দ উৎপাদন ৩০ শতাংশের বেশি শক্তিশালী।

ফোনটির উচ্চতা মাত্র ১৫৩ মিলিমিটার এবং ওজন ১৬৮ গ্রাম। ফলে বড় পর্দার ভারী ফোনের তুলনায় এটি হাতে তুলনামূলকভাবে ছোট ও আরামদায়ক হওয়ার কথা।Sony's latest Xperia has the hardware I wish the Pixel 10a offered -  Digital Trends

বড় ব্যাটারি ও শক্ত সুরক্ষা

এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে রয়েছে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টার ব্যাটারি। সনির দাবি, একবার পূর্ণ চার্জে ফোনটি দুই দিন পর্যন্ত চলতে পারে। ব্যাটারির সক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে ধরে রাখার জন্য চার বছর পর্যন্ত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে আইপি৬৫ ও আইপি৬৮ মানের পানি ও ধুলা প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস ২ সুরক্ষা।

এখানে সনির অবস্থানটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। হেডফোন সংযোগ বাদ দেওয়ার সময় অনেক নির্মাতা যুক্তি দিয়েছিল, এতে ফোনের ভেতরে জায়গা তৈরি হয় এবং পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী দেখিয়ে দিচ্ছে, হেডফোন সংযোগ রেখেও শক্তিশালী পানি প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব।

সমস্যা হলো দাম

তবে ফোনটির সবকিছুই যে আকর্ষণীয়, তা নয়। এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে ব্যবহার করা হয়েছে তুলনামূলক পুরোনো স্ন্যাপড্রাগন ৬ জেন ৩ চিপসেট এবং ৮ গিগাবাইট র‌্যাম। ক্যামেরা ব্যবস্থাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং ১৩ মেগাপিক্সেলের অতি প্রশস্ত ক্যামেরা।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে দাম নিয়ে। ইউরোপে ফোনটির দাম ৫৯৯ ইউরো এবং যুক্তরাজ্যে ৫৪৯ পাউন্ড। আগের এক্সপেরিয়া ১০ সপ্তমীর তুলনায় এটি যথাক্রমে ১৫০ ইউরো ও ১৫০ পাউন্ড বেশি।

নতুন মডেলটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে বাজারে আসার কথা। যুক্তরাষ্ট্রে সনি আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সপেরিয়া ফোন বিক্রি করে না।

সফটওয়্যার সমর্থনের ক্ষেত্রে অবশ্য সনি চারটি বড় সংস্করণ এবং ছয় বছর নিরাপত্তা হালনাগাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে তুলনামূলক কম দামের পিক্সেল ১০এ-তে গুগল সাত বছর পর্যন্ত সফটওয়্যার ও নিরাপত্তা হালনাগাদ দিচ্ছে। পাশাপাশি পিক্সেল ফোনে রয়েছে আরও বিস্তৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সুবিধা ও বিশেষ কল ব্যবস্থাপনা।

দুই ফোনের দর্শন সম্পূর্ণ আলাদা

পিক্সেল ১০এ এবং এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী যেন একই বাজারের জন্য দুই বিপরীত দর্শনের প্রতিনিধিত্ব করছে। পিক্সেল ১০এ ব্যবহারকারীকে হার্ডওয়্যারের তালিকা নিয়ে কম ভাবতে উৎসাহিত করে, কারণ এর সফটওয়্যার অভিজ্ঞতাই মূল আকর্ষণ।

অন্যদিকে সনি মনে করিয়ে দিচ্ছে, হেডফোন সংযোগ, বাড়তি সংরক্ষণক্ষমতা, শক্তিশালী স্টেরিও স্পিকার এবং ক্যামেরার শারীরিক বোতামের মতো সুবিধা এখনও একটি ফোনকে আলাদা করে তুলতে পারে।

তবে সনির এই পুরোনো অথচ ব্যবহারিক হার্ডওয়্যার দর্শন আরও আকর্ষণীয় হতে পারত, যদি এর জন্য আগের মডেলের তুলনায় এতটা বেশি দাম না দিতে হতো।