০৮:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সমঝোতায় আগ্রহ নেই যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার পথে যেতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী নয়। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট প্রভাব ও চাপ রয়েছে, তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।

রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা কোনো সমঝোতা খুঁজছি না। তারা সমঝোতা করতে চাইতে পারে, কিন্তু আমরা সেটি খুঁজছি না।”

ইরানের সঙ্গে আমরা আলোচনায় প্রস্তুত: ট্রাম্প

ইরান আলোচনায় অনমনীয় ছিল

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দূত স্টিভ উইটকফ জানান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করার আগেই আলোচনায় তেহরানের নেতৃত্ব খুব একটা ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি।

তিনি বলেন, আলোচনার সময় ইরানি নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, সামরিকভাবে যা অর্জন করা যায়নি, তা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তারা দিতে রাজি নয়।

উইটকফ জানান, আলোচনায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্টের জামাতা এবং আলোচনাকারী জ্যারেড কুশনারও। ইরানি পক্ষ তাদের বলেছিল, সামরিক শক্তি দিয়ে যা নেওয়া সম্ভব হয়নি, কূটনৈতিক পথে সেটি তারা দেবে না।

এই অবস্থান থেকে সরে আসতে হলে ইরানের মনোভাবের পরিবর্তন দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Steve Witkoff | Iran, Wife, Ukraine, Russia, Israel, & Facts | Britannica

ইরানে মার্কিন অভিযানকে ‘একটি অভিযান’ বললেন ট্রাম্প

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইরানে চলমান মার্কিন সামরিক কার্যক্রমকে বারবার “একটি অভিযান” হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই সংঘাত শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং বিদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অনেকটাই কমে আসবে।

ট্রাম্পের মতে, চলমান অভিযান শেষ হলে অর্থনৈতিক চাপ কমবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আরও স্থিতিশীল হবে।

আরও যে ৩ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মুখোমুখি হতে পারে!

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সমঝোতায় আগ্রহ নেই যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

১২:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার পথে যেতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী নয়। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট প্রভাব ও চাপ রয়েছে, তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।

রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা কোনো সমঝোতা খুঁজছি না। তারা সমঝোতা করতে চাইতে পারে, কিন্তু আমরা সেটি খুঁজছি না।”

ইরানের সঙ্গে আমরা আলোচনায় প্রস্তুত: ট্রাম্প

ইরান আলোচনায় অনমনীয় ছিল

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দূত স্টিভ উইটকফ জানান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করার আগেই আলোচনায় তেহরানের নেতৃত্ব খুব একটা ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি।

তিনি বলেন, আলোচনার সময় ইরানি নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, সামরিকভাবে যা অর্জন করা যায়নি, তা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তারা দিতে রাজি নয়।

উইটকফ জানান, আলোচনায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্টের জামাতা এবং আলোচনাকারী জ্যারেড কুশনারও। ইরানি পক্ষ তাদের বলেছিল, সামরিক শক্তি দিয়ে যা নেওয়া সম্ভব হয়নি, কূটনৈতিক পথে সেটি তারা দেবে না।

এই অবস্থান থেকে সরে আসতে হলে ইরানের মনোভাবের পরিবর্তন দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Steve Witkoff | Iran, Wife, Ukraine, Russia, Israel, & Facts | Britannica

ইরানে মার্কিন অভিযানকে ‘একটি অভিযান’ বললেন ট্রাম্প

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইরানে চলমান মার্কিন সামরিক কার্যক্রমকে বারবার “একটি অভিযান” হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই সংঘাত শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং বিদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অনেকটাই কমে আসবে।

ট্রাম্পের মতে, চলমান অভিযান শেষ হলে অর্থনৈতিক চাপ কমবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আরও স্থিতিশীল হবে।

আরও যে ৩ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মুখোমুখি হতে পারে!