০৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত ২০.৭২ লাখ টন, বোরো মৌসুমে সংগ্রহ অভিযান জোরদার

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে ২০ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৪ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চাল ও গম উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী এ তথ্য তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে এই পরিমাণ খাদ্যশস্য সংরক্ষিত রয়েছে। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রশ্নোত্তর পর্বটি উপস্থাপন করেন।

খাদ্য মজুত শক্তিশালী করতে উদ্যোগ

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সরকার ব্যাপক খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

সরকার চলতি বোরো মৌসুমে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি খাদ্যভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি

সংসদে দেওয়া তথ্যে আবদুল বারী জানান, ২১ জুন পর্যন্ত সরকার ২ লাখ ১ হাজার ২৯৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছে। একই সময়ে সংগ্রহ করা হয়েছে ৬ লাখ ২ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল।

এ ছাড়া ৩৬ হাজার ৮৭৯ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০০ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সংগ্রহ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগস্টের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলমান সংগ্রহ মৌসুমের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারের মতে, পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতেও এ ধরনের উদ্যোগ সহায়ক হবে।

সরকারি খাদ্যগুদামে চাল-গমের মজুত ২০.৭২ লাখ টনে পৌঁছেছে; বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত ২০.৭২ লাখ টন, বোরো মৌসুমে সংগ্রহ অভিযান জোরদার

০৬:৩১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে ২০ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৪ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চাল ও গম উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী এ তথ্য তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে এই পরিমাণ খাদ্যশস্য সংরক্ষিত রয়েছে। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রশ্নোত্তর পর্বটি উপস্থাপন করেন।

খাদ্য মজুত শক্তিশালী করতে উদ্যোগ

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সরকার ব্যাপক খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

সরকার চলতি বোরো মৌসুমে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি খাদ্যভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি

সংসদে দেওয়া তথ্যে আবদুল বারী জানান, ২১ জুন পর্যন্ত সরকার ২ লাখ ১ হাজার ২৯৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছে। একই সময়ে সংগ্রহ করা হয়েছে ৬ লাখ ২ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল।

এ ছাড়া ৩৬ হাজার ৮৭৯ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০০ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সংগ্রহ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগস্টের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলমান সংগ্রহ মৌসুমের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারের মতে, পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতেও এ ধরনের উদ্যোগ সহায়ক হবে।

সরকারি খাদ্যগুদামে চাল-গমের মজুত ২০.৭২ লাখ টনে পৌঁছেছে; বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার।