০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো

দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষে আইনজীবী তরিকুল ইসলাম তরিক জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

দুদকের অভিযোগের বিবরণ

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি দুদক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায় আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এতে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি। একই সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

মোট সম্পদ ও বৈধ আয়ের হিসাব

দুদকের হিসাবে আনিস আলমগীরের মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি। তবে তার বৈধ আয় হিসেবে দুদক শনাক্ত করেছে মাত্র ৯৯ লাখ ৯ হাজার টাকা।

এই বৈধ আয়ের মধ্যে রয়েছে আগের সঞ্চয় থেকে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, টকশো ও পরামর্শক হিসেবে কাজ থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ থেকে ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

অতিরিক্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আনিস আলমগীর ঘোষিত আয়ের বাইরে প্রায় ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার মোট সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ।

আগের গ্রেপ্তার ও কারাবাস

এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ঢাকার মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিস আলমগীরকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং আদালতের আদেশে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তখন থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায়ও গ্রেপ্তার

কারাবন্দি থাকা অবস্থায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা আরেকটি মামলায়ও আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো

০৯:২৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষে আইনজীবী তরিকুল ইসলাম তরিক জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

দুদকের অভিযোগের বিবরণ

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি দুদক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায় আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এতে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি। একই সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

মোট সম্পদ ও বৈধ আয়ের হিসাব

দুদকের হিসাবে আনিস আলমগীরের মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি। তবে তার বৈধ আয় হিসেবে দুদক শনাক্ত করেছে মাত্র ৯৯ লাখ ৯ হাজার টাকা।

এই বৈধ আয়ের মধ্যে রয়েছে আগের সঞ্চয় থেকে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, টকশো ও পরামর্শক হিসেবে কাজ থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ থেকে ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

অতিরিক্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আনিস আলমগীর ঘোষিত আয়ের বাইরে প্রায় ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার মোট সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ।

আগের গ্রেপ্তার ও কারাবাস

এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ঢাকার মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিস আলমগীরকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং আদালতের আদেশে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তখন থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায়ও গ্রেপ্তার

কারাবন্দি থাকা অবস্থায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা আরেকটি মামলায়ও আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।