০৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯/১১-এর পর যে পথে বদলে গেল বিশ্বব্যবস্থা এআইকে নিজের গোপন ভাবনা দিলে সেটাই কি একদিন আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে? নাটোরে দিনে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, কমেছে আয়: বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ যাচ্ছে না, আমন্ত্রণ পাননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির ভিভিয়ান টুর নতুন এআই অ্যাপ, এবার হাতের মুঠোয় ব্যক্তিগত আর্থিক পরামর্শ চাকরি ছাড়ার সঠিক সময় কখন? কারা সোয়িশারের স্বাধীনভাবে কাজের পরামর্শ দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা, ম্যানিলাকে ‘মিথ্যাচার বন্ধের’ আহ্বান বেইজিংয়ের আকাশ-স্থল-সমুদ্র একসঙ্গে, চীনের ড্রোন যুদ্ধপ্রযুক্তিতে নতুন দিগন্ত চীনে মিলল অতি বিশুদ্ধ কোয়ার্টজের নতুন ভাণ্ডার, মার্কিন সরবরাহে কমতে পারে নির্ভরতা

সিলেট সীমান্তে দেড় কোটি টাকার মাদক-চোরাচালানি পণ্য জব্দ

সিলেটের জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দুই দিনব্যাপী এসব অভিযানে মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি ভারতীয় জিরা, সুপারি, চা-পাতা, একটি পিকআপ ও গরুও জব্দ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ও বুধবার, ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর, সিলেটের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি)। বিজিবির হিসাবে অভিযানে জব্দ করা সব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে ব্যাটালিয়ন সদর থেকে পরিচালিত বিশেষ অপারেশন দলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সীমান্ত বিওপির টহল দল অংশ নেয়।Image

অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মাদক ও পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালপত্র জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। জব্দ করা মালপত্রের বিষয়ে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ পণ্য প্রবেশের পথ সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তাও আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

৯/১১-এর পর যে পথে বদলে গেল বিশ্বব্যবস্থা

সিলেট সীমান্তে দেড় কোটি টাকার মাদক-চোরাচালানি পণ্য জব্দ

০৪:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেটের জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দুই দিনব্যাপী এসব অভিযানে মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি ভারতীয় জিরা, সুপারি, চা-পাতা, একটি পিকআপ ও গরুও জব্দ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ও বুধবার, ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর, সিলেটের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি)। বিজিবির হিসাবে অভিযানে জব্দ করা সব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে ব্যাটালিয়ন সদর থেকে পরিচালিত বিশেষ অপারেশন দলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সীমান্ত বিওপির টহল দল অংশ নেয়।Image

অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মাদক ও পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালপত্র জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। জব্দ করা মালপত্রের বিষয়ে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ পণ্য প্রবেশের পথ সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তাও আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।