০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সীমান্তের গুলিতে আহত শিশু আফনানের মৃত্যু, টেকনাফজুড়ে শোক ও উদ্বেগ

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আর নেই। রাজধানীর জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিশুটির মামা মাহফুজুর রহমান। সীমান্তের সহিংসতার এই নির্মম পরিণতি স্থানীয় মানুষকে গভীর শোকের পাশাপাশি নতুন করে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই হুজাইফা মারা গেছে

আহত হওয়ার ঘটনা ও চিকিৎসার পথ

গত ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় আফনান। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকার জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

রাখাইনে সংঘাতের বিস্তার

সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল নিক্ষেপ এবং বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষ করে মংডু টাউনশিপের আশপাশে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে জান্তা বাহিনীর হামলা জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর পারস্পরিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান বেঁচে আছে; চমেক হাসপাতালে ভর্তি

বাংলাদেশ সীমান্তে প্রভাব ও উদ্বেগ

রাখাইনের চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জনপদে। সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিশু আফনানের মৃত্যু সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করে তুলেছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সীমান্তের গুলিতে আহত শিশু আফনানের মৃত্যু, টেকনাফজুড়ে শোক ও উদ্বেগ

০২:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আর নেই। রাজধানীর জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিশুটির মামা মাহফুজুর রহমান। সীমান্তের সহিংসতার এই নির্মম পরিণতি স্থানীয় মানুষকে গভীর শোকের পাশাপাশি নতুন করে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই হুজাইফা মারা গেছে

আহত হওয়ার ঘটনা ও চিকিৎসার পথ

গত ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় আফনান। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকার জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

রাখাইনে সংঘাতের বিস্তার

সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল নিক্ষেপ এবং বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষ করে মংডু টাউনশিপের আশপাশে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে জান্তা বাহিনীর হামলা জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর পারস্পরিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান বেঁচে আছে; চমেক হাসপাতালে ভর্তি

বাংলাদেশ সীমান্তে প্রভাব ও উদ্বেগ

রাখাইনের চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জনপদে। সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিশু আফনানের মৃত্যু সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করে তুলেছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।