০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সুদানে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ১ হাজার মানুষের প্রাণহানি

ভূমিধসের ঘটনা

সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের দূরবর্তী মার্রা পর্বতমালায় ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মি। রবিবার টানা কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে এই ভূমিধস ঘটে। এতে উত্তর দারফুর অঙ্গরাজ্যের তারাসিন গ্রাম প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, পুরো গ্রামে কেবল একজন মানুষ জীবিত বেঁচে আছেন।

আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন

ঘটনার পর বিদ্রোহী সংগঠনটি জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে জরুরি মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। অনেক মানুষ ইতোমধ্যেই নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে মার্রা পর্বতমালায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। কারণ, সুদানি সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে যুদ্ধ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছিল।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

দারফুরের সেনাবাহিনী-সমর্থিত গভর্নর মিন্নি মিনাওয়ি এই ভূমিধসকে “মানবিক বিপর্যয়” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

পটভূমি: গৃহযুদ্ধ ও সংকট

২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানি সেনা ও আরএসএফের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর ফলে দেশজুড়ে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে এবং পশ্চিম দারফুরে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন হিসাব থাকলেও গত বছর এক মার্কিন কর্মকর্তা অনুমান করেছিলেন, এই যুদ্ধে প্রায় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রায় এক কোটি বিশ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

ভূমিধসের এলাকায় নিয়ন্ত্রণ

যে অঞ্চলে ভূমিধস ঘটেছে, সেটি সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মির নিয়ন্ত্রণে। গোষ্ঠীর কিছু অংশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা সেনাবাহিনীর পাশে থেকে আরএসএফের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে। অনেক দারফুরি মনে করেন, আরএসএফ ও তাদের মিত্র মিলিশিয়ারা পরিকল্পিতভাবে দারফুরকে একটি আরব-শাসিত ভূখণ্ডে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সুদানে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ১ হাজার মানুষের প্রাণহানি

১১:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভূমিধসের ঘটনা

সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের দূরবর্তী মার্রা পর্বতমালায় ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মি। রবিবার টানা কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে এই ভূমিধস ঘটে। এতে উত্তর দারফুর অঙ্গরাজ্যের তারাসিন গ্রাম প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, পুরো গ্রামে কেবল একজন মানুষ জীবিত বেঁচে আছেন।

আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন

ঘটনার পর বিদ্রোহী সংগঠনটি জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে জরুরি মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। অনেক মানুষ ইতোমধ্যেই নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে মার্রা পর্বতমালায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। কারণ, সুদানি সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে যুদ্ধ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছিল।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

দারফুরের সেনাবাহিনী-সমর্থিত গভর্নর মিন্নি মিনাওয়ি এই ভূমিধসকে “মানবিক বিপর্যয়” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

পটভূমি: গৃহযুদ্ধ ও সংকট

২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানি সেনা ও আরএসএফের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর ফলে দেশজুড়ে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে এবং পশ্চিম দারফুরে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন হিসাব থাকলেও গত বছর এক মার্কিন কর্মকর্তা অনুমান করেছিলেন, এই যুদ্ধে প্রায় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রায় এক কোটি বিশ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

ভূমিধসের এলাকায় নিয়ন্ত্রণ

যে অঞ্চলে ভূমিধস ঘটেছে, সেটি সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মির নিয়ন্ত্রণে। গোষ্ঠীর কিছু অংশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা সেনাবাহিনীর পাশে থেকে আরএসএফের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে। অনেক দারফুরি মনে করেন, আরএসএফ ও তাদের মিত্র মিলিশিয়ারা পরিকল্পিতভাবে দারফুরকে একটি আরব-শাসিত ভূখণ্ডে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছে।