০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার ভোরে জানানো হয়, আকাশপথে আসা বেশ কয়েকটি হামলার লক্ষ্য ছিল দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, যেখানে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

সৌদির তেলখনি লক্ষ্য করে ফের হামলা চালাল ইরান

অস্বাভাবিক সংখ্যক আকাশপথের হুমকি
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনাক্ত হওয়া আকাশপথের হুমকির সংখ্যা ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। নিরাপত্তা বাহিনী এসব লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শুরু করে এবং সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ছিল প্রধান লক্ষ্য
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আকাশপথে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। এই অঞ্চলটি দেশের জ্বালানি খাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং এখানে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো ও উৎপাদন স্থাপনা।

মার্কিন স্বার্থ জড়িত স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু
হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এবং এমন একটি সামরিক ঘাঁটি যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছেন। এতে করে ঘটনাটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ইরানি হামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন দূতাবাসের | Page 34

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এখন সৌদি আরবেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

১০:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার ভোরে জানানো হয়, আকাশপথে আসা বেশ কয়েকটি হামলার লক্ষ্য ছিল দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, যেখানে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

সৌদির তেলখনি লক্ষ্য করে ফের হামলা চালাল ইরান

অস্বাভাবিক সংখ্যক আকাশপথের হুমকি
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনাক্ত হওয়া আকাশপথের হুমকির সংখ্যা ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। নিরাপত্তা বাহিনী এসব লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শুরু করে এবং সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ছিল প্রধান লক্ষ্য
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আকাশপথে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। এই অঞ্চলটি দেশের জ্বালানি খাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং এখানে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো ও উৎপাদন স্থাপনা।

মার্কিন স্বার্থ জড়িত স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু
হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এবং এমন একটি সামরিক ঘাঁটি যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছেন। এতে করে ঘটনাটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ইরানি হামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন দূতাবাসের | Page 34

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এখন সৌদি আরবেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা রয়েছে।