১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

স্পেনে ২০ মাসের লড়াইয়ের পর নারীকে ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি — ইউরোপজুড়ে নতুন বিতর্ক

স্পেনে একজন নারী ২০ মাস ধরে দেশটির ইউথানেশিয়া আইনের আওতায় নিজের মৃত্যুর অধিকারের জন্য লড়াই করেছেন। বৃহস্পতিবার আদালত তাঁকে সেই অনুমতি দিয়েছে। ২০২১ সালে স্পেন ইউরোপের চতুর্থ দেশ হিসেবে ইচ্ছামৃত্যু আইন পাস করে — কিন্তু বাস্তবে অনুমোদন পাওয়া এখনো দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া।

মানবিক মৃত্যুর অধিকার বনাম নৈতিক প্রশ্ন

এই রায় আবার ইউরোপে ইচ্ছামৃত্যুর নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক জ্বালিয়ে দিয়েছে। চিকিৎসক, ধর্মযাজক ও মানবাধিকার কর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে প্রশ্ন — অসহনীয় যন্ত্রণায় মৃত্যু বেছে নেওয়ার অধিকার কি মানুষের থাকা উচিত? অন্যদিকে আশঙ্কা — এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

স্পেনে ২০ মাসের লড়াইয়ের পর নারীকে ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি — ইউরোপজুড়ে নতুন বিতর্ক

০৬:৪৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

স্পেনে একজন নারী ২০ মাস ধরে দেশটির ইউথানেশিয়া আইনের আওতায় নিজের মৃত্যুর অধিকারের জন্য লড়াই করেছেন। বৃহস্পতিবার আদালত তাঁকে সেই অনুমতি দিয়েছে। ২০২১ সালে স্পেন ইউরোপের চতুর্থ দেশ হিসেবে ইচ্ছামৃত্যু আইন পাস করে — কিন্তু বাস্তবে অনুমোদন পাওয়া এখনো দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া।

মানবিক মৃত্যুর অধিকার বনাম নৈতিক প্রশ্ন

এই রায় আবার ইউরোপে ইচ্ছামৃত্যুর নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক জ্বালিয়ে দিয়েছে। চিকিৎসক, ধর্মযাজক ও মানবাধিকার কর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে প্রশ্ন — অসহনীয় যন্ত্রণায় মৃত্যু বেছে নেওয়ার অধিকার কি মানুষের থাকা উচিত? অন্যদিকে আশঙ্কা — এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে।