০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৬৪৩

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে হামজনিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুটিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান কী বলছে

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৫১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯২ জনে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৬ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের শরীরে পরীক্ষাগারে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাও স্বাস্থ্যখাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এই তথ্য জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৬৪৩

০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে হামজনিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুটিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান কী বলছে

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৫১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯২ জনে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৬ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের শরীরে পরীক্ষাগারে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাও স্বাস্থ্যখাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এই তথ্য জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।