০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হাম চিকিৎসা কেন জরুরি ঘোষণা করা হচ্ছে না

প্রতিদিন হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মারা যাচ্ছে। মৃত্যুর হার গড়ে প্রায় প্রতিদিনই একই বা কাছাকাছি সংখ্যক থাকছে। কেউ কেউ বলছেনবেশি আক্রান্ত অনেকগুলো জেলাতে এখন হামের প্রাদুর্ভাব কমে যাবার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের ফলে যদি সেটা কমে থাকে- অবশ্যই দেশের জন্য মঙ্গল। মানুষের জন্যও বড় সু-সংবাদ। কারণপ্রতিদিন শিশু মৃত্যু- এর থেকে বড় যন্ত্রণা একটি জাতির কাঁধে আর কিছু হতে পারে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব দেশকে এখান থেকে বের করে আনা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেশের মানুষ লক্ষ্য করছে সরকার বিষয়টি শুধু অতীতের ব্যর্থতার ওপর ছেড়ে দিয়ে যেন বসে আছে। অতীত সব সময়ই অতীত। তাছাড়া মনে রাখতে হবে অতীতে কিছু এনজিও করা স্বার্থান্বেষী লোক ক্ষমতায় ছিল। তাই বর্তমানে যা ঘটছে সেখানে প্রয়োজনীয় মোকাবিলা করা ও সিদ্ধান্ত নেয়া এটাই মূলত এখন সরকারের কাজ।

হামের চিকিৎসা কেন বিনামূল্যে নয়?

গত দুই মাসের মতো সময় ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকারি হিসাবে যে ৪শ এর ওপরে শিশু মারা গেছে তার অধিকাংশই কিন্তু সময় মতো সঠিক চিকিৎসা পায়নি কেন পায়নি সেই প্রশ্নের সমাধান পরে খুঁজতে হবে। এ মুহূর্তে প্রয়োজন আর যেন চিকিৎসার অবহেলা না হয়। আর সেজন্য প্রয়োজন দেশের সকল বিশেষজ্ঞ যেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিশুদের জীবন রক্ষা করে। এ কাজ করতে হলে সরকারের সকল ধরনের প্রতিহিংসা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মাইলস্টোন দুর্ঘটনার পরে যেমন দেশসেরা বার্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সামন্তলাল সেনকে সেবা দিতে দেওয়া হয়নিএক্ষেত্রে যেন তেমন না হয়। কারণবিশেষজ্ঞের কাজ অন্যকে দিয়ে হয় না। অন্যদিকে অবিলম্বে হামের চিকিৎসাকে জরুরি ঘোষণা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

আর কোনো কিছু জরুরি ঘোষণা করলে যা যা ব্যবস্থা নিতে হয় সেগুলো অবিলম্বে নিতে হবে। এ কাজে যত দেরি হবে ততই একটি না একটি শিশুর মৃত্যু ঘটবে। শিশুর জীবনকে সবার ওপরে স্থান দেয়া হোক এটাই কিন্তু এ মুহূর্তে জাতির প্রতিটি সচেতন মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও কামনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হাম চিকিৎসা কেন জরুরি ঘোষণা করা হচ্ছে না

০৯:০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

প্রতিদিন হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মারা যাচ্ছে। মৃত্যুর হার গড়ে প্রায় প্রতিদিনই একই বা কাছাকাছি সংখ্যক থাকছে। কেউ কেউ বলছেনবেশি আক্রান্ত অনেকগুলো জেলাতে এখন হামের প্রাদুর্ভাব কমে যাবার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের ফলে যদি সেটা কমে থাকে- অবশ্যই দেশের জন্য মঙ্গল। মানুষের জন্যও বড় সু-সংবাদ। কারণপ্রতিদিন শিশু মৃত্যু- এর থেকে বড় যন্ত্রণা একটি জাতির কাঁধে আর কিছু হতে পারে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব দেশকে এখান থেকে বের করে আনা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেশের মানুষ লক্ষ্য করছে সরকার বিষয়টি শুধু অতীতের ব্যর্থতার ওপর ছেড়ে দিয়ে যেন বসে আছে। অতীত সব সময়ই অতীত। তাছাড়া মনে রাখতে হবে অতীতে কিছু এনজিও করা স্বার্থান্বেষী লোক ক্ষমতায় ছিল। তাই বর্তমানে যা ঘটছে সেখানে প্রয়োজনীয় মোকাবিলা করা ও সিদ্ধান্ত নেয়া এটাই মূলত এখন সরকারের কাজ।

হামের চিকিৎসা কেন বিনামূল্যে নয়?

গত দুই মাসের মতো সময় ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সরকারি হিসাবে যে ৪শ এর ওপরে শিশু মারা গেছে তার অধিকাংশই কিন্তু সময় মতো সঠিক চিকিৎসা পায়নি কেন পায়নি সেই প্রশ্নের সমাধান পরে খুঁজতে হবে। এ মুহূর্তে প্রয়োজন আর যেন চিকিৎসার অবহেলা না হয়। আর সেজন্য প্রয়োজন দেশের সকল বিশেষজ্ঞ যেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শিশুদের জীবন রক্ষা করে। এ কাজ করতে হলে সরকারের সকল ধরনের প্রতিহিংসা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। মাইলস্টোন দুর্ঘটনার পরে যেমন দেশসেরা বার্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সামন্তলাল সেনকে সেবা দিতে দেওয়া হয়নিএক্ষেত্রে যেন তেমন না হয়। কারণবিশেষজ্ঞের কাজ অন্যকে দিয়ে হয় না। অন্যদিকে অবিলম্বে হামের চিকিৎসাকে জরুরি ঘোষণা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

আর কোনো কিছু জরুরি ঘোষণা করলে যা যা ব্যবস্থা নিতে হয় সেগুলো অবিলম্বে নিতে হবে। এ কাজে যত দেরি হবে ততই একটি না একটি শিশুর মৃত্যু ঘটবে। শিশুর জীবনকে সবার ওপরে স্থান দেয়া হোক এটাই কিন্তু এ মুহূর্তে জাতির প্রতিটি সচেতন মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও কামনা।