১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেশে বাড়ছে সংক্রমণ

দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একই সময়ে দেশে ১৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১,২১৫ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম রোগের লক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে এতটাই স্পষ্ট যে সব রোগীর ল্যাব পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না, বিশেষ করে যখন পরীক্ষার সুবিধা সীমিত থাকে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৯,৭০৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬,৫২৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৃত্যুর হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি
গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হামজনিত মৃত্যুকে দুটি ভাগে প্রকাশ করছে—নিশ্চিত (ল্যাব পরীক্ষায় প্রমাণিত) এবং সন্দেহভাজন (লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষা হয়নি)। এখন পর্যন্ত ৪২টি মৃত্যু নিশ্চিত হিসেবে এবং ১৯৮টি মৃত্যু সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

তবে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি বলেছে, এই দুই ধরনের হিসাব আলাদাভাবে প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাদের মতে, যেসব ক্ষেত্রে হাম-সদৃশ উপসর্গ ছিল, সেগুলোকেও হামজনিত মৃত্যু হিসেবেই গণনা করা উচিত।

সেই হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গায় প্রথম মৃত্যু
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো হামজনিত শিশুমৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। নতুন নতুন জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান ও দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হচ্ছে।

দেশে হাম সংক্রমণ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেশে বাড়ছে সংক্রমণ

০৮:৪৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একই সময়ে দেশে ১৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১,২১৫ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম রোগের লক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে এতটাই স্পষ্ট যে সব রোগীর ল্যাব পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না, বিশেষ করে যখন পরীক্ষার সুবিধা সীমিত থাকে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৯,৭০৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬,৫২৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৃত্যুর হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি
গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হামজনিত মৃত্যুকে দুটি ভাগে প্রকাশ করছে—নিশ্চিত (ল্যাব পরীক্ষায় প্রমাণিত) এবং সন্দেহভাজন (লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষা হয়নি)। এখন পর্যন্ত ৪২টি মৃত্যু নিশ্চিত হিসেবে এবং ১৯৮টি মৃত্যু সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

তবে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি বলেছে, এই দুই ধরনের হিসাব আলাদাভাবে প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাদের মতে, যেসব ক্ষেত্রে হাম-সদৃশ উপসর্গ ছিল, সেগুলোকেও হামজনিত মৃত্যু হিসেবেই গণনা করা উচিত।

সেই হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গায় প্রথম মৃত্যু
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো হামজনিত শিশুমৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। নতুন নতুন জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান ও দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হচ্ছে।

দেশে হাম সংক্রমণ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে