০৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৬)

নালন্দা

আমাদের কিছু সৌভাগ্যবশতঃ চৈনিক পরিব্রাজকরা মুসলমান আক্রমণের প্রায় অব্যবহিত পূর্বে ভারতে এসে ভারতীয় সভ্যতার কিছু কিছু বিবরণ দিয়ে গিয়েছেন। তা না হলে নালন্দার মত একটা আশ্চর্য বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে আমরা বস্তুত কিছুই জানতে পারতাম না।

হিউএনচাঙ এযাত্রা এখানে প্রায় দেড় বছর কাটিয়েছিলেন। তার পর পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত ভ্রমণের শেষে আবার আট নয় মাস এখানে ছিলেন। তিনি নালন্দা সম্বন্ধে যা বলেছেন, বৌদ্ধপৌরাণিক কাহিনীগুলি বাদ দিয়ে তার প্রায় সমস্তটাই সংকলন করে দিলাম।

হিউএনচাঙ বলেন, বুদ্ধের পরিনির্বাণের অল্প কিছুদিন পরে শত্রুাদিত্য নামক এক বৌদ্ধ রাজা এখানে প্রথম সঙ্ঘারাম তৈয়ারি করেন। তার পর গুপ্তবংশীয় চারজন সম্রাট-বুদ্ধগুপ্ত, তথাগতগুপ্ত, বালাদিত্য ও বজ্র, আর চারটি সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করে দিয়েছেন।

তা ছাড়া মধ্য ভারতের এক রাজাও এখানে এক প্রকাণ্ড সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করেছেন। এ ছয়টি সঙ্ঘারামের সমস্ত সৌধগুলি ঘিরে একটা খুব উঁচু ইঁটের প্রাচীর তৈয়ারী হয়েছে। ঢুকবার জন্যে কেবল একটি তোরণ আছে।

এত রাজা এখানে এত সৌধ নির্মাণ করেছেন যে এখন এ জায়গাটা একটা অদ্ভুত দৃশ্য, আর এখানকার ভাস্কর্য সত্যই অপরূপ। এখানে হাজার হাজার ভিক্ষু আছেন। এরা সকলেই অসাধারণ জ্ঞানী আর গুণবান। শত শত পণ্ডিত আছেন যাঁদের যশ বহু দূরদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৬)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

নালন্দা

আমাদের কিছু সৌভাগ্যবশতঃ চৈনিক পরিব্রাজকরা মুসলমান আক্রমণের প্রায় অব্যবহিত পূর্বে ভারতে এসে ভারতীয় সভ্যতার কিছু কিছু বিবরণ দিয়ে গিয়েছেন। তা না হলে নালন্দার মত একটা আশ্চর্য বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে আমরা বস্তুত কিছুই জানতে পারতাম না।

হিউএনচাঙ এযাত্রা এখানে প্রায় দেড় বছর কাটিয়েছিলেন। তার পর পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত ভ্রমণের শেষে আবার আট নয় মাস এখানে ছিলেন। তিনি নালন্দা সম্বন্ধে যা বলেছেন, বৌদ্ধপৌরাণিক কাহিনীগুলি বাদ দিয়ে তার প্রায় সমস্তটাই সংকলন করে দিলাম।

হিউএনচাঙ বলেন, বুদ্ধের পরিনির্বাণের অল্প কিছুদিন পরে শত্রুাদিত্য নামক এক বৌদ্ধ রাজা এখানে প্রথম সঙ্ঘারাম তৈয়ারি করেন। তার পর গুপ্তবংশীয় চারজন সম্রাট-বুদ্ধগুপ্ত, তথাগতগুপ্ত, বালাদিত্য ও বজ্র, আর চারটি সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করে দিয়েছেন।

তা ছাড়া মধ্য ভারতের এক রাজাও এখানে এক প্রকাণ্ড সঙ্ঘারাম তৈয়ারী করেছেন। এ ছয়টি সঙ্ঘারামের সমস্ত সৌধগুলি ঘিরে একটা খুব উঁচু ইঁটের প্রাচীর তৈয়ারী হয়েছে। ঢুকবার জন্যে কেবল একটি তোরণ আছে।

এত রাজা এখানে এত সৌধ নির্মাণ করেছেন যে এখন এ জায়গাটা একটা অদ্ভুত দৃশ্য, আর এখানকার ভাস্কর্য সত্যই অপরূপ। এখানে হাজার হাজার ভিক্ষু আছেন। এরা সকলেই অসাধারণ জ্ঞানী আর গুণবান। শত শত পণ্ডিত আছেন যাঁদের যশ বহু দূরদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০৫)