০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৬)

রক্তমৃত্তিকা সঙ্ঘারাম সম্বন্ধে হিউএনচাঙ একটি কাহিনী বলেছেন। দক্ষিণভারত থেকে এক দাম্ভিক গুণ্ডাজাতীয় পণ্ডিত কর্ণসুবর্ণতে এসেছিল।

পেট ভতি বিঘ্নার চাপে পেট যাতে ফেটে না যায়, সেইজন্তে পেটের উপর সে একটা তামার থালা বেঁধে রাখত। আর দুনিয়ার নিবুদ্ধি বোকা লোককে আলো দেখাবার জন্যে মাথায় একটি প্রদীপ নিয়ে বেড়াত।

এই সময়ে দক্ষিণভারত থেকেই একজন শ্রমণ শহরে আসেন। রাজা ঐ দাম্ভিককে আর সহ্য করতে না পেরে বললেন যে, শ্রমণ যদি দাম্ভিক পণ্ডিতকে তর্কে হারাতে পারেন, তা হলে তিনি একটা সঙ্ঘারাম স্থাপন করবেন। বলা বাহুল্য, শ্রমণেরই জিত হয়েছিল।

গৌড়েশ্বর রাজা শশাঙ্ক শৈব ছিলেন আর হিউএনচাঙের পরম মিত্র হর্ষবর্ধনের শত্রু ছিলেন। হিউএনচাও শশাঙ্ককে ঘোর বৌদ্ধ-বিদ্বেষী বলেছেন। এমন কি তিনি বলেন, শশাঙ্ক বোধিদ্রুম সমূলে উৎপাটিত করবার চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু হিউএনচাও নিজেই শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ আর তাঁর রাজ্যের অন্তান্তর স্থানের (পুণ্ড্রবর্ধন, সমতট ইত্যাদি) যে বিবরণ দিয়েছেন তাতে শশাঙ্কের বৌদ্ধবিদ্বেষ সম্বন্ধে সন্দেহ থেকে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৫)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৬)

০৯:০০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

রক্তমৃত্তিকা সঙ্ঘারাম সম্বন্ধে হিউএনচাঙ একটি কাহিনী বলেছেন। দক্ষিণভারত থেকে এক দাম্ভিক গুণ্ডাজাতীয় পণ্ডিত কর্ণসুবর্ণতে এসেছিল।

পেট ভতি বিঘ্নার চাপে পেট যাতে ফেটে না যায়, সেইজন্তে পেটের উপর সে একটা তামার থালা বেঁধে রাখত। আর দুনিয়ার নিবুদ্ধি বোকা লোককে আলো দেখাবার জন্যে মাথায় একটি প্রদীপ নিয়ে বেড়াত।

এই সময়ে দক্ষিণভারত থেকেই একজন শ্রমণ শহরে আসেন। রাজা ঐ দাম্ভিককে আর সহ্য করতে না পেরে বললেন যে, শ্রমণ যদি দাম্ভিক পণ্ডিতকে তর্কে হারাতে পারেন, তা হলে তিনি একটা সঙ্ঘারাম স্থাপন করবেন। বলা বাহুল্য, শ্রমণেরই জিত হয়েছিল।

গৌড়েশ্বর রাজা শশাঙ্ক শৈব ছিলেন আর হিউএনচাঙের পরম মিত্র হর্ষবর্ধনের শত্রু ছিলেন। হিউএনচাও শশাঙ্ককে ঘোর বৌদ্ধ-বিদ্বেষী বলেছেন। এমন কি তিনি বলেন, শশাঙ্ক বোধিদ্রুম সমূলে উৎপাটিত করবার চেষ্টা করেছিলেন।

কিন্তু হিউএনচাও নিজেই শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ আর তাঁর রাজ্যের অন্তান্তর স্থানের (পুণ্ড্রবর্ধন, সমতট ইত্যাদি) যে বিবরণ দিয়েছেন তাতে শশাঙ্কের বৌদ্ধবিদ্বেষ সম্বন্ধে সন্দেহ থেকে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৫)