১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৫)

এই বিশাল নগরী এখন মহাস্থানগড় নামক এক প্রকাণ্ড মাটির ঢিবিতে পর্যবসিত।পুণ্ড্রবর্ধন থেকে আবার গঙ্গায় ফিরে এসে, হিউএনচাঙ ভাগীরথী-তীরে বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায়, শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ (আধুনিক রাঙামাটি) এলেন।

এর সম্বন্ধে হিউএনচাঙ বলেছেন, ‘এ রাজ্যের পরিধি আন্দাজ দুই শ মাইল। রাজধানীর পরিধি আন্দাজ চার মাইল। এখানকার অধিবাসীরা খুব ধনী আর সংখ্যায় বহু। জমি নীচু আর উর্বরা। খুব ভালো ফুল হয় আর নানা মূল্যবান শস্য হয়। আবহাওয়া সুখদ।

লোকগুলির ব্যবহার সাধু ও প্রীতিজনক। এরা অত্যন্ত বিদ্যানুরাগী আর খুব যত্নসহকারে বিদ্যাচর্চা করে। (বৌদ্ধ) ধর্মে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী দুইই আছে। গোটা দশেক সঙ্ঘারাম আর দুই হাজার ভিক্ষু আছেন। পঞ্চাশটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা সংখ্যায় অনেক।

রাজধানীর নিকটে ‘রক্তমৃত্তিকা’ নামক একটা প্রকাণ্ড অনেকতলা উঁচু সঙ্ঘারাম আছে। সেখানে রাজ্যের সমস্ত বিখ্যাত পণ্ডিত আর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা একত্র হন আর আত্মোন্নতির চেষ্টা করেন।

কাছেই অশোক রাজা নির্মিত একটি স্তূপ আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৪)

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৫)

০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

এই বিশাল নগরী এখন মহাস্থানগড় নামক এক প্রকাণ্ড মাটির ঢিবিতে পর্যবসিত।পুণ্ড্রবর্ধন থেকে আবার গঙ্গায় ফিরে এসে, হিউএনচাঙ ভাগীরথী-তীরে বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায়, শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ (আধুনিক রাঙামাটি) এলেন।

এর সম্বন্ধে হিউএনচাঙ বলেছেন, ‘এ রাজ্যের পরিধি আন্দাজ দুই শ মাইল। রাজধানীর পরিধি আন্দাজ চার মাইল। এখানকার অধিবাসীরা খুব ধনী আর সংখ্যায় বহু। জমি নীচু আর উর্বরা। খুব ভালো ফুল হয় আর নানা মূল্যবান শস্য হয়। আবহাওয়া সুখদ।

লোকগুলির ব্যবহার সাধু ও প্রীতিজনক। এরা অত্যন্ত বিদ্যানুরাগী আর খুব যত্নসহকারে বিদ্যাচর্চা করে। (বৌদ্ধ) ধর্মে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী দুইই আছে। গোটা দশেক সঙ্ঘারাম আর দুই হাজার ভিক্ষু আছেন। পঞ্চাশটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা সংখ্যায় অনেক।

রাজধানীর নিকটে ‘রক্তমৃত্তিকা’ নামক একটা প্রকাণ্ড অনেকতলা উঁচু সঙ্ঘারাম আছে। সেখানে রাজ্যের সমস্ত বিখ্যাত পণ্ডিত আর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা একত্র হন আর আত্মোন্নতির চেষ্টা করেন।

কাছেই অশোক রাজা নির্মিত একটি স্তূপ আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৪)