০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ ভোটে রেকর্ড ৯২.৯% উপস্থিতি, শেষ দফায় উত্তেজনা ও সহিংসতার অভিযোগ কেন্দুয়ায় পানির নিচে ৩৭৫ হেক্টর ধান, ক্ষতিগ্রস্ত ৩১০০ কৃষক ইরানে হামলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার খবরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম যখন অর্থ ফুরিয়ে যায়, ভবিষ্যৎ গড়ে কে? টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ডিবির ওপর হামলা, সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার; আটক ২৮ কুড়িগ্রামে দারিদ্র্য ৭০% ছাড়িয়েছে, নদীভাঙনে বন্দি লাখো মানুষ ইরান অচলাবস্থায় তেলের দামে নতুন রেকর্ড, ব্যারেল ১২৩ ডলার ছুঁলো হরমুজ প্রণালীতে দম্ভের সংঘর্ষ: ভুল হিসাব, দীর্ঘ যুদ্ধ আর বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি কোহিনূর ফেরত দিন—রাজাকে সরাসরি বার্তা নিউইয়র্ক মেয়রের গণতন্ত্রের মানচিত্রে নতুন রেখা: আদালত না রাজনীতি?

কেন নদী, বিলে, খালে এত অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ

মিডিয়াতে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে তা স্বাভাবিক বললে ভুল হবে। আবার যাদেরকে সনাক্ত করা যাচ্ছে তার ভেতর রয়েছে, সাধারণ কৃষকও। রহস্যজনক তার মৃত্যু। সাধারণ মানুষও বিস্মিত, তার মতো পরিশ্রমী নিতান্ত কৃষককে কেন এভাবে হত্যা করে হাওরে ফেলে রাখা হলো।

এই যে মৃত্যুর মিছিল চলছে এটা অনেক বড় দুঃখের ও উদ্বেগের। কিন্তু তার চেয়েও উদ্বেগের— এ বিষয়ে কি কারও কোনো দায়িত্ব নেই? কেউ কি খুঁজে দেখবে না কেন এই অস্বাভাবিকতা। আর তা অন্য কিছু নিয়ে নয়— মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। মৃত্যুর পরে সে হয়ে যাচ্ছে অজানা। পরিবার থেকে বলা হচ্ছে না তাদের মানুষটি হারিয়ে গেছে। তারাও নীরব।

সমাজের এই নীরবতার ভাষা কি গুরুত্বহীন? এতটা নীরবতা আর বেওয়ারিশ লাশ এতটা সহজলভ্য হলে সেই সময়টাকে কী নামে চিহ্নিত করা যায়?

মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বাসস্থান চায় তেমনি সে স্বাভাবিকভাবে মারা যেতেও চায়। বেওয়ারিশ লাশ হয়ে মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যাবে এ কোন যাত্রা?

আর পরিবারকে নীরব থাকতে হবে— এও বা কোন সময়?

পশ্চিমবঙ্গ ভোটে রেকর্ড ৯২.৯% উপস্থিতি, শেষ দফায় উত্তেজনা ও সহিংসতার অভিযোগ

কেন নদী, বিলে, খালে এত অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ

০৯:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

মিডিয়াতে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে তা স্বাভাবিক বললে ভুল হবে। আবার যাদেরকে সনাক্ত করা যাচ্ছে তার ভেতর রয়েছে, সাধারণ কৃষকও। রহস্যজনক তার মৃত্যু। সাধারণ মানুষও বিস্মিত, তার মতো পরিশ্রমী নিতান্ত কৃষককে কেন এভাবে হত্যা করে হাওরে ফেলে রাখা হলো।

এই যে মৃত্যুর মিছিল চলছে এটা অনেক বড় দুঃখের ও উদ্বেগের। কিন্তু তার চেয়েও উদ্বেগের— এ বিষয়ে কি কারও কোনো দায়িত্ব নেই? কেউ কি খুঁজে দেখবে না কেন এই অস্বাভাবিকতা। আর তা অন্য কিছু নিয়ে নয়— মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। মৃত্যুর পরে সে হয়ে যাচ্ছে অজানা। পরিবার থেকে বলা হচ্ছে না তাদের মানুষটি হারিয়ে গেছে। তারাও নীরব।

সমাজের এই নীরবতার ভাষা কি গুরুত্বহীন? এতটা নীরবতা আর বেওয়ারিশ লাশ এতটা সহজলভ্য হলে সেই সময়টাকে কী নামে চিহ্নিত করা যায়?

মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বাসস্থান চায় তেমনি সে স্বাভাবিকভাবে মারা যেতেও চায়। বেওয়ারিশ লাশ হয়ে মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যাবে এ কোন যাত্রা?

আর পরিবারকে নীরব থাকতে হবে— এও বা কোন সময়?