০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায় ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ, বিজয়ের দলে ২১ ও কংগ্রেসের ২ বিধায়ক শপথ জাপানে কঠোর ভিসা নীতিতে বিপাকে বিদেশি ব্যবসায়ীরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিম্নআয়ের মানুষের পকেট কাটার শামিল: রুহিন প্রিন্স চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের বজ্রপাতে নওগাঁ, বরিশাল ও নাটোরে ৬ জনের মৃত্যু বিদ্যুতের দাম বাড়ালে বাড়বে মূল্যস্ফীতি, বিইআরসিকে সতর্ক করল ক্যাব বাজারে অনিয়মে কঠোর বিএসইসি, তিন কোম্পানিকে ২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা জরিমানা নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতা ওসমান গনি খুন, আটক ৪ ডুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এর মধ্যেই দায়িত্ব নিলেন নতুন ভিসি নরওয়েতে মোদিকে প্রশ্ন করে ভাইরাল সাংবাদিক, বাকস্বাধীনতা নিয়ে নতুন বিতর্ক

কেন নদী, বিলে, খালে এত অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ

মিডিয়াতে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে তা স্বাভাবিক বললে ভুল হবে। আবার যাদেরকে সনাক্ত করা যাচ্ছে তার ভেতর রয়েছে, সাধারণ কৃষকও। রহস্যজনক তার মৃত্যু। সাধারণ মানুষও বিস্মিত, তার মতো পরিশ্রমী নিতান্ত কৃষককে কেন এভাবে হত্যা করে হাওরে ফেলে রাখা হলো।

এই যে মৃত্যুর মিছিল চলছে এটা অনেক বড় দুঃখের ও উদ্বেগের। কিন্তু তার চেয়েও উদ্বেগের— এ বিষয়ে কি কারও কোনো দায়িত্ব নেই? কেউ কি খুঁজে দেখবে না কেন এই অস্বাভাবিকতা। আর তা অন্য কিছু নিয়ে নয়— মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। মৃত্যুর পরে সে হয়ে যাচ্ছে অজানা। পরিবার থেকে বলা হচ্ছে না তাদের মানুষটি হারিয়ে গেছে। তারাও নীরব।

সমাজের এই নীরবতার ভাষা কি গুরুত্বহীন? এতটা নীরবতা আর বেওয়ারিশ লাশ এতটা সহজলভ্য হলে সেই সময়টাকে কী নামে চিহ্নিত করা যায়?

মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বাসস্থান চায় তেমনি সে স্বাভাবিকভাবে মারা যেতেও চায়। বেওয়ারিশ লাশ হয়ে মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যাবে এ কোন যাত্রা?

আর পরিবারকে নীরব থাকতে হবে— এও বা কোন সময়?

জনপ্রিয় সংবাদ

তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায় ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ, বিজয়ের দলে ২১ ও কংগ্রেসের ২ বিধায়ক শপথ

কেন নদী, বিলে, খালে এত অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ

০৯:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

মিডিয়াতে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে তা স্বাভাবিক বললে ভুল হবে। আবার যাদেরকে সনাক্ত করা যাচ্ছে তার ভেতর রয়েছে, সাধারণ কৃষকও। রহস্যজনক তার মৃত্যু। সাধারণ মানুষও বিস্মিত, তার মতো পরিশ্রমী নিতান্ত কৃষককে কেন এভাবে হত্যা করে হাওরে ফেলে রাখা হলো।

এই যে মৃত্যুর মিছিল চলছে এটা অনেক বড় দুঃখের ও উদ্বেগের। কিন্তু তার চেয়েও উদ্বেগের— এ বিষয়ে কি কারও কোনো দায়িত্ব নেই? কেউ কি খুঁজে দেখবে না কেন এই অস্বাভাবিকতা। আর তা অন্য কিছু নিয়ে নয়— মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। মৃত্যুর পরে সে হয়ে যাচ্ছে অজানা। পরিবার থেকে বলা হচ্ছে না তাদের মানুষটি হারিয়ে গেছে। তারাও নীরব।

সমাজের এই নীরবতার ভাষা কি গুরুত্বহীন? এতটা নীরবতা আর বেওয়ারিশ লাশ এতটা সহজলভ্য হলে সেই সময়টাকে কী নামে চিহ্নিত করা যায়?

মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বাসস্থান চায় তেমনি সে স্বাভাবিকভাবে মারা যেতেও চায়। বেওয়ারিশ লাশ হয়ে মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যাবে এ কোন যাত্রা?

আর পরিবারকে নীরব থাকতে হবে— এও বা কোন সময়?