০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কেন নদী, বিলে, খালে এত অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ

মিডিয়াতে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে তা স্বাভাবিক বললে ভুল হবে। আবার যাদেরকে সনাক্ত করা যাচ্ছে তার ভেতর রয়েছে, সাধারণ কৃষকও। রহস্যজনক তার মৃত্যু। সাধারণ মানুষও বিস্মিত, তার মতো পরিশ্রমী নিতান্ত কৃষককে কেন এভাবে হত্যা করে হাওরে ফেলে রাখা হলো।

এই যে মৃত্যুর মিছিল চলছে এটা অনেক বড় দুঃখের ও উদ্বেগের। কিন্তু তার চেয়েও উদ্বেগের— এ বিষয়ে কি কারও কোনো দায়িত্ব নেই? কেউ কি খুঁজে দেখবে না কেন এই অস্বাভাবিকতা। আর তা অন্য কিছু নিয়ে নয়— মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। মৃত্যুর পরে সে হয়ে যাচ্ছে অজানা। পরিবার থেকে বলা হচ্ছে না তাদের মানুষটি হারিয়ে গেছে। তারাও নীরব।

সমাজের এই নীরবতার ভাষা কি গুরুত্বহীন? এতটা নীরবতা আর বেওয়ারিশ লাশ এতটা সহজলভ্য হলে সেই সময়টাকে কী নামে চিহ্নিত করা যায়?

মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বাসস্থান চায় তেমনি সে স্বাভাবিকভাবে মারা যেতেও চায়। বেওয়ারিশ লাশ হয়ে মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যাবে এ কোন যাত্রা?

আর পরিবারকে নীরব থাকতে হবে— এও বা কোন সময়?

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কেন নদী, বিলে, খালে এত অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ

০৯:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

মিডিয়াতে অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে তা স্বাভাবিক বললে ভুল হবে। আবার যাদেরকে সনাক্ত করা যাচ্ছে তার ভেতর রয়েছে, সাধারণ কৃষকও। রহস্যজনক তার মৃত্যু। সাধারণ মানুষও বিস্মিত, তার মতো পরিশ্রমী নিতান্ত কৃষককে কেন এভাবে হত্যা করে হাওরে ফেলে রাখা হলো।

এই যে মৃত্যুর মিছিল চলছে এটা অনেক বড় দুঃখের ও উদ্বেগের। কিন্তু তার চেয়েও উদ্বেগের— এ বিষয়ে কি কারও কোনো দায়িত্ব নেই? কেউ কি খুঁজে দেখবে না কেন এই অস্বাভাবিকতা। আর তা অন্য কিছু নিয়ে নয়— মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। মৃত্যুর পরে সে হয়ে যাচ্ছে অজানা। পরিবার থেকে বলা হচ্ছে না তাদের মানুষটি হারিয়ে গেছে। তারাও নীরব।

সমাজের এই নীরবতার ভাষা কি গুরুত্বহীন? এতটা নীরবতা আর বেওয়ারিশ লাশ এতটা সহজলভ্য হলে সেই সময়টাকে কী নামে চিহ্নিত করা যায়?

মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বাসস্থান চায় তেমনি সে স্বাভাবিকভাবে মারা যেতেও চায়। বেওয়ারিশ লাশ হয়ে মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যাবে এ কোন যাত্রা?

আর পরিবারকে নীরব থাকতে হবে— এও বা কোন সময়?