গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী একটি মিছিল নিষিদ্ধ করতে বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করে মিছিল নিষিদ্ধ
ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি এমন একটি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন, যা সাধারণত খুব কম ব্যবহার করা হয়। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে লন্ডনে পরিকল্পিত একটি ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ ও কিছু সমালোচকের মতে, এই সমাবেশটি শুধু ফিলিস্তিনের সমর্থনে নয়, বরং ইরানের প্রতি সমর্থন প্রকাশের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আয়োজকদের
তবে মিছিলের আয়োজকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজে একটি মৌলিক অধিকার।

গাজা যুদ্ধের পর থেকে উত্তেজনা
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। এই ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধও তীব্র হয়েছে।
ইহুদি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ
যুক্তরাজ্যের কিছু ইহুদি সংগঠন অভিযোগ করেছে, এসব বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষ ইহুদিবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনের সমর্থনে হওয়া অনেক সমাবেশে এমন বক্তব্য বা আচরণ দেখা যায় যা ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগজনক।
এই পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















