০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
স্টারমারের পতন শুধু এক নেতার নয়, ব্রিটিশ মধ্যপন্থী রাজনীতিরও সংকেত আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে কর কমানো ও গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি হাওরে ভেজা ধান নিয়ে কৃষকের কান্না, মিলছে না ক্রেতা বা সরকারি সহায়তা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আসল সংকট সীমান্তে, না অবিশ্বাসে? জ্বালানি সংকটে সংযমের আহ্বান মোদির, আমদানি নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর বিজয়ের উত্থান, কংগ্রেসের সংকট এবং ভারতের বিরোধী রাজনীতির নতুন সমীকরণ জাহানারা ইমাম: এক মায়ের শোক থেকে জাতির বিবেক হয়ে ওঠার গল্প টিকের কামড়ে বাড়ছে ঝুঁকি, যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে ছয় বিপজ্জনক রোগ ১৯২৬ সালের ব্রিটিশ সাধারণ ধর্মঘট: শ্রমিকদের হার, না কি শাসকশ্রেণির নৈতিক পরাজয়?

ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী একটি মিছিল নিষিদ্ধ করতে বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করে মিছিল নিষিদ্ধ
ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি এমন একটি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন, যা সাধারণত খুব কম ব্যবহার করা হয়। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে লন্ডনে পরিকল্পিত একটি ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ ও কিছু সমালোচকের মতে, এই সমাবেশটি শুধু ফিলিস্তিনের সমর্থনে নয়, বরং ইরানের প্রতি সমর্থন প্রকাশের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আয়োজকদের
তবে মিছিলের আয়োজকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজে একটি মৌলিক অধিকার।

UK bans pro-Iran, anti-Israel Al Quds Day march, but static demonstration  permitted | The Times of Israel

গাজা যুদ্ধের পর থেকে উত্তেজনা
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। এই ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধও তীব্র হয়েছে।

ইহুদি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ
যুক্তরাজ্যের কিছু ইহুদি সংগঠন অভিযোগ করেছে, এসব বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষ ইহুদিবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনের সমর্থনে হওয়া অনেক সমাবেশে এমন বক্তব্য বা আচরণ দেখা যায় যা ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগজনক।

এই পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টারমারের পতন শুধু এক নেতার নয়, ব্রিটিশ মধ্যপন্থী রাজনীতিরও সংকেত

ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

০৭:১৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী একটি মিছিল নিষিদ্ধ করতে বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করে মিছিল নিষিদ্ধ
ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি এমন একটি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন, যা সাধারণত খুব কম ব্যবহার করা হয়। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে লন্ডনে পরিকল্পিত একটি ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ ও কিছু সমালোচকের মতে, এই সমাবেশটি শুধু ফিলিস্তিনের সমর্থনে নয়, বরং ইরানের প্রতি সমর্থন প্রকাশের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আয়োজকদের
তবে মিছিলের আয়োজকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজে একটি মৌলিক অধিকার।

UK bans pro-Iran, anti-Israel Al Quds Day march, but static demonstration  permitted | The Times of Israel

গাজা যুদ্ধের পর থেকে উত্তেজনা
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। এই ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধও তীব্র হয়েছে।

ইহুদি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ
যুক্তরাজ্যের কিছু ইহুদি সংগঠন অভিযোগ করেছে, এসব বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষ ইহুদিবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনের সমর্থনে হওয়া অনেক সমাবেশে এমন বক্তব্য বা আচরণ দেখা যায় যা ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগজনক।

এই পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।