১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব তেলের সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তেল মজুত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান ও জার্মানি।

হরমুজ প্রণালিতে সংকট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সামরিক তৎপরতার কারণে এ পথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

জাহাজে হামলার ঘটনা
ব্রিটিশ এক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা আশপাশে তিনটি জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের প্রভাব
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের কারণে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বহু দেশের উদ্বেগ বাড়ছে।

তেল ছাড়ার প্রস্তুতি জাপান ও জার্মানির
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান ও জার্মানি তাদের কৌশলগত তেল মজুত থেকে তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের সময় বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে অনুভূত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

০৭:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব তেলের সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তেল মজুত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান ও জার্মানি।

হরমুজ প্রণালিতে সংকট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সামরিক তৎপরতার কারণে এ পথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

জাহাজে হামলার ঘটনা
ব্রিটিশ এক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা আশপাশে তিনটি জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের প্রভাব
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের কারণে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বহু দেশের উদ্বেগ বাড়ছে।

তেল ছাড়ার প্রস্তুতি জাপান ও জার্মানির
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান ও জার্মানি তাদের কৌশলগত তেল মজুত থেকে তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের সময় বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে অনুভূত হবে।