০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
স্টারমারের পতন শুধু এক নেতার নয়, ব্রিটিশ মধ্যপন্থী রাজনীতিরও সংকেত আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে কর কমানো ও গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি হাওরে ভেজা ধান নিয়ে কৃষকের কান্না, মিলছে না ক্রেতা বা সরকারি সহায়তা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আসল সংকট সীমান্তে, না অবিশ্বাসে? জ্বালানি সংকটে সংযমের আহ্বান মোদির, আমদানি নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর বিজয়ের উত্থান, কংগ্রেসের সংকট এবং ভারতের বিরোধী রাজনীতির নতুন সমীকরণ জাহানারা ইমাম: এক মায়ের শোক থেকে জাতির বিবেক হয়ে ওঠার গল্প টিকের কামড়ে বাড়ছে ঝুঁকি, যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে ছয় বিপজ্জনক রোগ ১৯২৬ সালের ব্রিটিশ সাধারণ ধর্মঘট: শ্রমিকদের হার, না কি শাসকশ্রেণির নৈতিক পরাজয়?

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব তেলের সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তেল মজুত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান ও জার্মানি।

হরমুজ প্রণালিতে সংকট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সামরিক তৎপরতার কারণে এ পথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

জাহাজে হামলার ঘটনা
ব্রিটিশ এক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা আশপাশে তিনটি জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের প্রভাব
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের কারণে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বহু দেশের উদ্বেগ বাড়ছে।

তেল ছাড়ার প্রস্তুতি জাপান ও জার্মানির
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান ও জার্মানি তাদের কৌশলগত তেল মজুত থেকে তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের সময় বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে অনুভূত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টারমারের পতন শুধু এক নেতার নয়, ব্রিটিশ মধ্যপন্থী রাজনীতিরও সংকেত

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

০৭:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব তেলের সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তেল মজুত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান ও জার্মানি।

হরমুজ প্রণালিতে সংকট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সামরিক তৎপরতার কারণে এ পথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

জাহাজে হামলার ঘটনা
ব্রিটিশ এক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা আশপাশে তিনটি জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের প্রভাব
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের কারণে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বহু দেশের উদ্বেগ বাড়ছে।

তেল ছাড়ার প্রস্তুতি জাপান ও জার্মানির
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান ও জার্মানি তাদের কৌশলগত তেল মজুত থেকে তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের সময় বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে অনুভূত হবে।