১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 139

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

রাজাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, প্রশংসা আর আশীর্বাদসূচক এক লম্বা বক্তৃতা করে ধর্মগুরু বিদায় নিলেন।এখান থেকে হিউএনচাঙের পথযাত্রার ধারা বদলে গেল। এতদিন তিনি চীনসম্রাটের আদেশের বিরুদ্ধে গোপনে রাজকর্মচারীদের ভয়ে ভয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন।

কারো কাছে সাহায্য পাবার দাবি ছিল না। তুরফানরাজার আশ্রয় ও সুপারিশপত্র পাওয়ায় তাঁর এই লাভ হল যে, তিনি শক্তিশালী পশ্চিম তুরুস্কদের আশ্রয় পাবার অধিকার পেলেন।

আর তুরফান থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন তুরুস্ক সম্রাটের ছেলে, যিনি আবার তুরফান রাজার জামাতা ছিলেন। কাজেই পথে রাজকর্মচারীদের ভয় আর রইল না।

যাত্রা করবার দিন তুরফানরাজ তাঁর সমস্ত সভাসদ, সব ভিক্ষুরা আর নগরের অধিকাংশ লোক নগরের বাইরে পর্যন্ত ধর্মগুরুর সঙ্গে গিয়ে বিদায় গ্রহণ করলেন। তুরফানরাজ সজলচোখে ধর্মগুরুর কাছে বিদায় নিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৫)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

রাজাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, প্রশংসা আর আশীর্বাদসূচক এক লম্বা বক্তৃতা করে ধর্মগুরু বিদায় নিলেন।এখান থেকে হিউএনচাঙের পথযাত্রার ধারা বদলে গেল। এতদিন তিনি চীনসম্রাটের আদেশের বিরুদ্ধে গোপনে রাজকর্মচারীদের ভয়ে ভয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন।

কারো কাছে সাহায্য পাবার দাবি ছিল না। তুরফানরাজার আশ্রয় ও সুপারিশপত্র পাওয়ায় তাঁর এই লাভ হল যে, তিনি শক্তিশালী পশ্চিম তুরুস্কদের আশ্রয় পাবার অধিকার পেলেন।

আর তুরফান থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন তুরুস্ক সম্রাটের ছেলে, যিনি আবার তুরফান রাজার জামাতা ছিলেন। কাজেই পথে রাজকর্মচারীদের ভয় আর রইল না।

যাত্রা করবার দিন তুরফানরাজ তাঁর সমস্ত সভাসদ, সব ভিক্ষুরা আর নগরের অধিকাংশ লোক নগরের বাইরে পর্যন্ত ধর্মগুরুর সঙ্গে গিয়ে বিদায় গ্রহণ করলেন। তুরফানরাজ সজলচোখে ধর্মগুরুর কাছে বিদায় নিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)