১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 120

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তিএনশান্ – সমরখন্দ – তুখার

কুচা ছেড়ে হিউএনচাঙ কিজিল ও আকশূ হয়ে উত্তরে তিএন্‌শান্ পর্বতের দিকে চললেন। এ দেশ পশ্চিম তুরুস্কদের সাম্রাজ্যের ভিতরে ছিল বটে তবে এ সীমান্তে শান্তিরক্ষার ব্যবস্থা এ সময়ে ভালো ছিল না। এমনকি হিউএনচাঙ কুচা ছাড়বার পরই দু’ হাজার অশ্বারোহী তুরুস্ক দস্যুদের সাক্ষাৎ পান। এরা একটা মস্ত যাত্রীপ্রবাহ (caravan) লুট করে লুটের সামগ্রীর ভাগ নিয়ে ঝগড়া করছিল।

হিউএনচাঙ বেদাল গিরিপথ দিয়ে তিএশানের উত্তরে চলে গেলেন। অর্থাৎ তারিম অববাহিকা থেকে সীর দরিয়ার অববাহিকাতে গেলেন। তিএন্‌শানের এই উত্তরদিকটা তুষার নদে পূর্ণ। হিউএনচাঙ এই ভাবে তুষার নদের বর্ণনা দিয়েছেন- ‘এই তুষার পর্বত পামিরের উত্তর কোণে অবস্থিত। এটা ভীষণ বিপদ সংকুল, আকাশস্পর্শী পর্বত।

সৃষ্টির প্রথম থেকে এখানে বরফ জমেছে আর প্রকাণ্ড বরফের নদী হয়েছে- যা কোনো সময়েই গলে না। শক্ত ঝকঝকে সাদা বরফের চাংড়া ভেঙে গড়িয়ে পড়ছে আর মেঘের মধ্যে মিলিয়ে যাচ্ছে। একদৃষ্টে চেয়ে থাকলে চোখ ঝলসে যায়।

পথের উপর বরফের পাহাড় ভেঙে ভেঙে পড়ে; কোনো কোনোটা এক শো ফুট উঁচু, কোনো কোনোটা ত্রিশ-চল্লিশ ফুট চওড়া। এসব পাহাড় অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য আর বিপদসংকুল। এর উপর বাতাসের আর তুষারের ঝড় আর ঘূর্ণীবাতাস সব সময়েই বইছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩১)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩২)

০৯:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তিএনশান্ – সমরখন্দ – তুখার

কুচা ছেড়ে হিউএনচাঙ কিজিল ও আকশূ হয়ে উত্তরে তিএন্‌শান্ পর্বতের দিকে চললেন। এ দেশ পশ্চিম তুরুস্কদের সাম্রাজ্যের ভিতরে ছিল বটে তবে এ সীমান্তে শান্তিরক্ষার ব্যবস্থা এ সময়ে ভালো ছিল না। এমনকি হিউএনচাঙ কুচা ছাড়বার পরই দু’ হাজার অশ্বারোহী তুরুস্ক দস্যুদের সাক্ষাৎ পান। এরা একটা মস্ত যাত্রীপ্রবাহ (caravan) লুট করে লুটের সামগ্রীর ভাগ নিয়ে ঝগড়া করছিল।

হিউএনচাঙ বেদাল গিরিপথ দিয়ে তিএশানের উত্তরে চলে গেলেন। অর্থাৎ তারিম অববাহিকা থেকে সীর দরিয়ার অববাহিকাতে গেলেন। তিএন্‌শানের এই উত্তরদিকটা তুষার নদে পূর্ণ। হিউএনচাঙ এই ভাবে তুষার নদের বর্ণনা দিয়েছেন- ‘এই তুষার পর্বত পামিরের উত্তর কোণে অবস্থিত। এটা ভীষণ বিপদ সংকুল, আকাশস্পর্শী পর্বত।

সৃষ্টির প্রথম থেকে এখানে বরফ জমেছে আর প্রকাণ্ড বরফের নদী হয়েছে- যা কোনো সময়েই গলে না। শক্ত ঝকঝকে সাদা বরফের চাংড়া ভেঙে গড়িয়ে পড়ছে আর মেঘের মধ্যে মিলিয়ে যাচ্ছে। একদৃষ্টে চেয়ে থাকলে চোখ ঝলসে যায়।

পথের উপর বরফের পাহাড় ভেঙে ভেঙে পড়ে; কোনো কোনোটা এক শো ফুট উঁচু, কোনো কোনোটা ত্রিশ-চল্লিশ ফুট চওড়া। এসব পাহাড় অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য আর বিপদসংকুল। এর উপর বাতাসের আর তুষারের ঝড় আর ঘূর্ণীবাতাস সব সময়েই বইছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩১)