০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • 246

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চাষের মধ্যে চাল গম প্রচুর, আদা, সর্ষে, তরমুজ, কুমড়ো ইত্যাদি। পিয়াজ রসুন বেশী লোকে খায় না। কেউ খেলে তাকে শহরের বাইরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ খাদ্য হচ্ছে দুধ, মাখন, সর, ভুরা চিনি, মিছরি, পিঠা, চিড়া, সর্ষের তেল। মাছ, ভেড়া, ছাগলের মাংস, মুগ মাংস সাধারণত তাজা, কখনো বা মুন দেওয়া, খাওয়া হয়।

ষাঁড়, গাধা, হাতি, ঘোড়া, শূকর, কুকুর, নেকড়ে, সিংহ, বাঁদর আর লোমওয়ালা সব জন্তুর মাংস নিষিদ্ধ। এসব যারা খায় তাদের সকলে ঘৃণা করে; তারা শহরের বাইরে থাকে।

মদ অনেক রকমের। ক্ষত্রিয়রা আঙুর আর আঁখের রসের মদ পান করে, বৈশরা জোরালো মদ পান করে। শ্রমণরা আর ব্রাহ্মণরা আঙুর আর আঁখের এক রকম রস পান করে, কিন্তু এ রস গাঁজিয়ে তোলা (fermented) নয়।

বাসন সব রকমই আছে। বেশির ভাগ মাটির। লাল তামার বাসন কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এক থালায় সব খাদ্য মেখে নিয়ে হাত দিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত চামচ বা বাটি ব্যবহার হয় না আর কোনো রকম খাবার কাঠি (chopsticks) নেই। তবে অসুস্থ হলে এরা তামার চামচ ব্যবহার করে।

সোনা, রূপা, কাঁসা, স্ফটিক, মুক্তা এদেশে প্রচুর উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে জহরৎ, জিনিসের বিনিময়ে, সংগ্রহ করা হয়। দেশের মধ্যে বেচাকেনায় সোনা বা রুপার মুদ্রা, কড়ি আর ছোট ছোট মুক্তা ব্যবহার হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৪)

০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চাষের মধ্যে চাল গম প্রচুর, আদা, সর্ষে, তরমুজ, কুমড়ো ইত্যাদি। পিয়াজ রসুন বেশী লোকে খায় না। কেউ খেলে তাকে শহরের বাইরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ খাদ্য হচ্ছে দুধ, মাখন, সর, ভুরা চিনি, মিছরি, পিঠা, চিড়া, সর্ষের তেল। মাছ, ভেড়া, ছাগলের মাংস, মুগ মাংস সাধারণত তাজা, কখনো বা মুন দেওয়া, খাওয়া হয়।

ষাঁড়, গাধা, হাতি, ঘোড়া, শূকর, কুকুর, নেকড়ে, সিংহ, বাঁদর আর লোমওয়ালা সব জন্তুর মাংস নিষিদ্ধ। এসব যারা খায় তাদের সকলে ঘৃণা করে; তারা শহরের বাইরে থাকে।

মদ অনেক রকমের। ক্ষত্রিয়রা আঙুর আর আঁখের রসের মদ পান করে, বৈশরা জোরালো মদ পান করে। শ্রমণরা আর ব্রাহ্মণরা আঙুর আর আঁখের এক রকম রস পান করে, কিন্তু এ রস গাঁজিয়ে তোলা (fermented) নয়।

বাসন সব রকমই আছে। বেশির ভাগ মাটির। লাল তামার বাসন কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এক থালায় সব খাদ্য মেখে নিয়ে হাত দিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত চামচ বা বাটি ব্যবহার হয় না আর কোনো রকম খাবার কাঠি (chopsticks) নেই। তবে অসুস্থ হলে এরা তামার চামচ ব্যবহার করে।

সোনা, রূপা, কাঁসা, স্ফটিক, মুক্তা এদেশে প্রচুর উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে জহরৎ, জিনিসের বিনিময়ে, সংগ্রহ করা হয়। দেশের মধ্যে বেচাকেনায় সোনা বা রুপার মুদ্রা, কড়ি আর ছোট ছোট মুক্তা ব্যবহার হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)