০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • 374

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শ্রাবস্তীপুরীর এক ক্রোশ দূরে জেতবন। জন্যে অনাথপিণ্ডদ নামে পরিচিত ছিলেন। শ্রেষ্ঠী সুদত্ত দানশীলতার তিনি বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে একটা বিহার নির্মাণ করতে ইচ্ছা করলেন।

বুদ্ধ সারিপুত্রের সঙ্গে গিয়ে নগরের বাইরে রাজকুমার জেতের যে বাগান ছিল সেইটে পছন্দ করলেন।জেতকে বলতে তিনি হেসে বললেন যে, ‘বেশ। যত স্বর্ণমুদ্রা বিছিয়ে দিলে বাগানটা ভরে যায়, সেই দামে বাগানটা বেচতে রাজি আছি।’

অনাথপিণ্ডদ সানন্দে সেই দামেই বাগানটা কিনে নিয়ে বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে দিলেন। বুদ্ধ এই বিহারে থাকতে ভালোবাসতেন, আর তাঁর বহু উপদেশ, যা ত্রিপিটকে বণিত আছে, এই বিহারেই বলেছিলেন।

হিউএনচাঙের সময়ে বিহার, ভিক্ষুদের থাকবার বাড়িগুলি প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়েছিল, কেবল একটা ছোট বাড়িতে সোনালি রঙ করা বুদ্ধের একটা পাথরের মূর্তি ছিল। রাজা উদয়ন কৌশাদীতে চন্দনকাঠের বুদ্ধমূর্তি তৈয়ারী করেছেন শুনে রাজা প্রসেনজিৎ এই পাথরের বুদ্ধমূর্তিটি গড়ান।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৪)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শ্রাবস্তীপুরীর এক ক্রোশ দূরে জেতবন। জন্যে অনাথপিণ্ডদ নামে পরিচিত ছিলেন। শ্রেষ্ঠী সুদত্ত দানশীলতার তিনি বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে একটা বিহার নির্মাণ করতে ইচ্ছা করলেন।

বুদ্ধ সারিপুত্রের সঙ্গে গিয়ে নগরের বাইরে রাজকুমার জেতের যে বাগান ছিল সেইটে পছন্দ করলেন।জেতকে বলতে তিনি হেসে বললেন যে, ‘বেশ। যত স্বর্ণমুদ্রা বিছিয়ে দিলে বাগানটা ভরে যায়, সেই দামে বাগানটা বেচতে রাজি আছি।’

অনাথপিণ্ডদ সানন্দে সেই দামেই বাগানটা কিনে নিয়ে বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে দিলেন। বুদ্ধ এই বিহারে থাকতে ভালোবাসতেন, আর তাঁর বহু উপদেশ, যা ত্রিপিটকে বণিত আছে, এই বিহারেই বলেছিলেন।

হিউএনচাঙের সময়ে বিহার, ভিক্ষুদের থাকবার বাড়িগুলি প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়েছিল, কেবল একটা ছোট বাড়িতে সোনালি রঙ করা বুদ্ধের একটা পাথরের মূর্তি ছিল। রাজা উদয়ন কৌশাদীতে চন্দনকাঠের বুদ্ধমূর্তি তৈয়ারী করেছেন শুনে রাজা প্রসেনজিৎ এই পাথরের বুদ্ধমূর্তিটি গড়ান।

(চলবে)