০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হুঁশিয়ারি দেওয়ার ঘণ্টাখানেক পরই নিহত আইআরজিসি মুখপাত্র, উপসাগরে যুদ্ধের তীব্রতা চরমে

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র আলি মোহাম্মদের মৃত্যু। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ভোরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

হুঁশিয়ারির পরই প্রাণঘাতী হামলা

নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই আলি মোহাম্মদ কঠোর ভাষায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। শত্রুদের জন্য সামনে “চমক” অপেক্ষা করছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই হুঁশিয়ারির অল্প সময়ের মধ্যেই ভোরের হামলায় তার মৃত্যু ঘটে।

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের | | বাংলাদেশ  প্রতিদিন

ইরানের জন্য বড় ধাক্কা

এক সপ্তাহের মধ্যে এটি ইরানের জন্য চতুর্থ বড় ক্ষতি। এর আগে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নিহত হন, যা ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছে। ধারাবাহিক এই হামলাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সংঘাত এখন সরাসরি নেতৃত্ব কাঠামোকে লক্ষ্য করে এগোচ্ছে।

পাল্টাপাল্টি হামলায় উপসাগর উত্তপ্ত

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই ইরান পাল্টা জবাব দিয়ে যাচ্ছে। গ্যাসক্ষেত্র থেকে শুরু করে জ্বালানি অবকাঠামো—সবকিছুই এখন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। কাতারের বৃহৎ তরল গ্যাস স্থাপনায় হামলার ঘটনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্রাম্পের সতর্ক বার্তা

ট্রাম্পের জনসমর্থন আরো কমেছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের গ্যাস স্থাপনাগুলোর ওপর আরও বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে।

ইসরায়েলের ‘চমক’ কৌশল

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তারা ইরানের নেতৃত্ব কাঠামোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক অভিযান চালাবে। আগের হামলায় ইরানের গোয়েন্দা প্রধানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে, এই সংঘাত কেবল সামরিক নয়, বরং নেতৃত্ব ধ্বংসের কৌশল হিসেবেও এগোচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিটি হামলা নতুন করে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করছে। আলি মোহাম্মদের মৃত্যু সেই আশঙ্কাকে আরও গভীর করেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হুঁশিয়ারি দেওয়ার ঘণ্টাখানেক পরই নিহত আইআরজিসি মুখপাত্র, উপসাগরে যুদ্ধের তীব্রতা চরমে

০৬:৩৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র আলি মোহাম্মদের মৃত্যু। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ভোরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

হুঁশিয়ারির পরই প্রাণঘাতী হামলা

নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই আলি মোহাম্মদ কঠোর ভাষায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। শত্রুদের জন্য সামনে “চমক” অপেক্ষা করছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই হুঁশিয়ারির অল্প সময়ের মধ্যেই ভোরের হামলায় তার মৃত্যু ঘটে।

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের | | বাংলাদেশ  প্রতিদিন

ইরানের জন্য বড় ধাক্কা

এক সপ্তাহের মধ্যে এটি ইরানের জন্য চতুর্থ বড় ক্ষতি। এর আগে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নিহত হন, যা ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছে। ধারাবাহিক এই হামলাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সংঘাত এখন সরাসরি নেতৃত্ব কাঠামোকে লক্ষ্য করে এগোচ্ছে।

পাল্টাপাল্টি হামলায় উপসাগর উত্তপ্ত

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই ইরান পাল্টা জবাব দিয়ে যাচ্ছে। গ্যাসক্ষেত্র থেকে শুরু করে জ্বালানি অবকাঠামো—সবকিছুই এখন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। কাতারের বৃহৎ তরল গ্যাস স্থাপনায় হামলার ঘটনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্রাম্পের সতর্ক বার্তা

ট্রাম্পের জনসমর্থন আরো কমেছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের গ্যাস স্থাপনাগুলোর ওপর আরও বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে।

ইসরায়েলের ‘চমক’ কৌশল

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তারা ইরানের নেতৃত্ব কাঠামোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক অভিযান চালাবে। আগের হামলায় ইরানের গোয়েন্দা প্রধানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে, এই সংঘাত কেবল সামরিক নয়, বরং নেতৃত্ব ধ্বংসের কৌশল হিসেবেও এগোচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিটি হামলা নতুন করে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করছে। আলি মোহাম্মদের মৃত্যু সেই আশঙ্কাকে আরও গভীর করেছে।