০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

“১০ বছর ধরে ট্রোলের শিকার”—বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সমালোচিত ব্যক্তি দাবি মেগান মার্কলের

অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে নিজের জীবনের এক কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরলেন প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী মেগান মার্কল। তিনি দাবি করেছেন, গত এক দশক ধরে প্রতিদিন সামাজিক মাধ্যমে তাকে আক্রমণ ও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে, এমনকি নিজেকে তিনি “বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্রোল হওয়া ব্যক্তি” বলেও উল্লেখ করেছেন।

প্রতিদিনের আক্রমণ, তবুও টিকে থাকার লড়াই

মেলবোর্নে এক মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনায় তরুণদের সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে মেগান বলেন, প্রতিদিনই তিনি অনলাইন আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তার ভাষায়, “১০ বছর ধরে প্রতিদিন আমাকে অপমান ও আক্রমণ করা হয়েছে, কিন্তু আমি এখনো টিকে আছি।”
তিনি তরুণদের সতর্ক করে বলেন, সামাজিক মাধ্যম এখন বিশাল অর্থনৈতিক শিল্পে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের কষ্ট ও নেতিবাচকতা থেকেই লাভ তৈরি হয়। তাই এই বাস্তবতার মধ্যেই নিজেদের শক্ত থাকতে হবে।

Meghan Markle says she was "the most trolled person in the world"

হ্যারির ব্যক্তিগত যন্ত্রণা ও উপলব্ধি

একই সফরে প্রিন্স হ্যারি নিজের জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। ছোটবেলায় মা প্রিন্সেস ডায়ানাকে হারানোর পর তিনি নিজেকে অসহায় ও দিশেহারা মনে করেছিলেন বলে জানান।
তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর অনেক বছর তিনি বাস্তবতা থেকে দূরে থাকতে চেয়েছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, নিজের অবস্থান ও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অন্যদের জন্য কিছু করা উচিত—এটাই তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।

রাজপরিবার থেকে সরে গিয়ে নতুন জীবন

২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর হ্যারি ও মেগান উত্তর আমেরিকায় বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তারা ক্যালিফোর্নিয়ায় তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে নতুন জীবন গড়ে তুলছেন।
এই সময়ের মধ্যে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনও প্রকাশ্যে আসে, যা এখনও পুরোপুরি মিটেনি।

Meghan Markle Says She Was Once the 'Most Trolled Person in the Entire World '

অস্ট্রেলিয়া সফর ঘিরে বিতর্ক ও আয়োজন

চার দিনের এই সফরে মেগান একটি জনপ্রিয় রান্নার অনুষ্ঠানের জন্যও কাজ করেছেন, যা শিগগিরই সম্প্রচার হবে। পাশাপাশি সিডনিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে যোগব্যায়াম, সঙ্গীত ও সামাজিক আড্ডার আয়োজন থাকবে।
তবে এই সফর ঘিরে সমালোচনাও উঠেছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা খরচে সরকারি অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বিরোধী রাজনীতিকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্যেও বিতর্ক

সব মিলিয়ে সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে দম্পতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হলেও, তাদের উপস্থিতি নিয়ে জনমতের ভিন্নতা স্পষ্ট। একদিকে জনপ্রিয়তা, অন্যদিকে সমালোচনা—এই দ্বৈত বাস্তবতার মধ্যেই এগোচ্ছেন হ্যারি ও মেগান।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

“১০ বছর ধরে ট্রোলের শিকার”—বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সমালোচিত ব্যক্তি দাবি মেগান মার্কলের

০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে নিজের জীবনের এক কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরলেন প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী মেগান মার্কল। তিনি দাবি করেছেন, গত এক দশক ধরে প্রতিদিন সামাজিক মাধ্যমে তাকে আক্রমণ ও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে, এমনকি নিজেকে তিনি “বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্রোল হওয়া ব্যক্তি” বলেও উল্লেখ করেছেন।

প্রতিদিনের আক্রমণ, তবুও টিকে থাকার লড়াই

মেলবোর্নে এক মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনায় তরুণদের সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে মেগান বলেন, প্রতিদিনই তিনি অনলাইন আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তার ভাষায়, “১০ বছর ধরে প্রতিদিন আমাকে অপমান ও আক্রমণ করা হয়েছে, কিন্তু আমি এখনো টিকে আছি।”
তিনি তরুণদের সতর্ক করে বলেন, সামাজিক মাধ্যম এখন বিশাল অর্থনৈতিক শিল্পে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের কষ্ট ও নেতিবাচকতা থেকেই লাভ তৈরি হয়। তাই এই বাস্তবতার মধ্যেই নিজেদের শক্ত থাকতে হবে।

Meghan Markle says she was "the most trolled person in the world"

হ্যারির ব্যক্তিগত যন্ত্রণা ও উপলব্ধি

একই সফরে প্রিন্স হ্যারি নিজের জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। ছোটবেলায় মা প্রিন্সেস ডায়ানাকে হারানোর পর তিনি নিজেকে অসহায় ও দিশেহারা মনে করেছিলেন বলে জানান।
তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর অনেক বছর তিনি বাস্তবতা থেকে দূরে থাকতে চেয়েছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, নিজের অবস্থান ও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অন্যদের জন্য কিছু করা উচিত—এটাই তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।

রাজপরিবার থেকে সরে গিয়ে নতুন জীবন

২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর হ্যারি ও মেগান উত্তর আমেরিকায় বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তারা ক্যালিফোর্নিয়ায় তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে নতুন জীবন গড়ে তুলছেন।
এই সময়ের মধ্যে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনও প্রকাশ্যে আসে, যা এখনও পুরোপুরি মিটেনি।

Meghan Markle Says She Was Once the 'Most Trolled Person in the Entire World '

অস্ট্রেলিয়া সফর ঘিরে বিতর্ক ও আয়োজন

চার দিনের এই সফরে মেগান একটি জনপ্রিয় রান্নার অনুষ্ঠানের জন্যও কাজ করেছেন, যা শিগগিরই সম্প্রচার হবে। পাশাপাশি সিডনিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে যোগব্যায়াম, সঙ্গীত ও সামাজিক আড্ডার আয়োজন থাকবে।
তবে এই সফর ঘিরে সমালোচনাও উঠেছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা খরচে সরকারি অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বিরোধী রাজনীতিকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্যেও বিতর্ক

সব মিলিয়ে সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে দম্পতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হলেও, তাদের উপস্থিতি নিয়ে জনমতের ভিন্নতা স্পষ্ট। একদিকে জনপ্রিয়তা, অন্যদিকে সমালোচনা—এই দ্বৈত বাস্তবতার মধ্যেই এগোচ্ছেন হ্যারি ও মেগান।