০২:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

১৪ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতির বিদায়ী অভিভাষণ

আগামী ১৪ ডিসেম্বর দেশের সব জেলা ও মহানগর আদালতের শীর্ষ বিচারকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বিচার বিভাগে দেড় বছরে নেওয়া সংস্কার উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন তিনি। ২৭ ডিসেম্বর তিনি অবসরে যাচ্ছেন।

পরিচিতি

দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিচার বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী বক্তব্য প্রদান করবেন। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

অধিবেশন ও সময়সূচি

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন,

১৪ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা

স্থান: সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়াম

উপস্থিত থাকবেন:

– সকল জেলা জজ
– মহানগর দায়রা জজ
– চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
– চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

এটি হবে বিচার বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন।

বিদায়ী অভিভাষণের মূল বিষয়

প্রধান বিচারপতি তার বক্তৃতায় তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরবেন—

১. দেড় বছরে নেওয়া বিচার বিভাগীয় সংস্কার কার্যক্রম

– বিচার বিভাগের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ
– বিচারক ও কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন
– আদালতের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
– অধস্তন আদালতের বিচারকদের দক্ষতা বাড়ানো
– বিচারপ্রার্থী জনগণের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণ
– মামলাজট কমাতে কাঠামোগত উদ্যোগ

২. ঘোষিত রোডম্যাপের অগ্রগতি

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নিয়ে একই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বিচার বিভাগ সংস্কারের ঐতিহাসিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। এতে ছিল—

– বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দাবি
– উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন
– বিচার বিভাগের জন্য পৃথক আদালত প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব
– বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা

৩. ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও দিকনির্দেশনা

তিনি ভবিষ্যৎ সংস্কারের সম্ভাব্য দিক নির্দেশ করে যাবেন এবং কীভাবে চলমান উদ্যোগ আরও এগিয়ে নেওয়া যায় তা তুলে ধরবেন।

প্রধান বিচারপতির অবসর

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাবেন। দেড় বছরে তার রোডম্যাপ অনুযায়ী বিচার বিভাগে বহুমুখী পরিবর্তন ও সংস্কার কার্যক্রম ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।

 

#বিচারবিভাগ সংস্কার | প্রধানবিচারপতি | সুপ্রিমকোর্ট | বিদায়ী_অভিভাষণ

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

১৪ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতির বিদায়ী অভিভাষণ

০৮:২১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

আগামী ১৪ ডিসেম্বর দেশের সব জেলা ও মহানগর আদালতের শীর্ষ বিচারকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বিচার বিভাগে দেড় বছরে নেওয়া সংস্কার উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন তিনি। ২৭ ডিসেম্বর তিনি অবসরে যাচ্ছেন।

পরিচিতি

দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিচার বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী বক্তব্য প্রদান করবেন। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

অধিবেশন ও সময়সূচি

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন,

১৪ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা

স্থান: সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়াম

উপস্থিত থাকবেন:

– সকল জেলা জজ
– মহানগর দায়রা জজ
– চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
– চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

এটি হবে বিচার বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন।

বিদায়ী অভিভাষণের মূল বিষয়

প্রধান বিচারপতি তার বক্তৃতায় তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরবেন—

১. দেড় বছরে নেওয়া বিচার বিভাগীয় সংস্কার কার্যক্রম

– বিচার বিভাগের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ
– বিচারক ও কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন
– আদালতের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
– অধস্তন আদালতের বিচারকদের দক্ষতা বাড়ানো
– বিচারপ্রার্থী জনগণের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণ
– মামলাজট কমাতে কাঠামোগত উদ্যোগ

২. ঘোষিত রোডম্যাপের অগ্রগতি

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নিয়ে একই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বিচার বিভাগ সংস্কারের ঐতিহাসিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। এতে ছিল—

– বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দাবি
– উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন
– বিচার বিভাগের জন্য পৃথক আদালত প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব
– বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা

৩. ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও দিকনির্দেশনা

তিনি ভবিষ্যৎ সংস্কারের সম্ভাব্য দিক নির্দেশ করে যাবেন এবং কীভাবে চলমান উদ্যোগ আরও এগিয়ে নেওয়া যায় তা তুলে ধরবেন।

প্রধান বিচারপতির অবসর

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাবেন। দেড় বছরে তার রোডম্যাপ অনুযায়ী বিচার বিভাগে বহুমুখী পরিবর্তন ও সংস্কার কার্যক্রম ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।

 

#বিচারবিভাগ সংস্কার | প্রধানবিচারপতি | সুপ্রিমকোর্ট | বিদায়ী_অভিভাষণ