১১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

৩০তম নিক্কেই ফোরাম: এশিয়ার ভবিষ্যৎ – টোকিওয় ২৯ মে ২০২৫-এর অধিবেশন

২০২৫ সালের ২৯ মে, জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত হলো ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: “এশিয়ার ভবিষ্যৎ” শীর্ষক সম্মেলন, যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল “অশান্ত বিশ্বে এশিয়ার চ্যালেঞ্জ”। এই ফোরামে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও একাডেমিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। তারা আঞ্চলিক সমস্যা ও বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে এশিয়ার ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

২৯ মে অধিবেশনের মূল আলোচনা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস (প্রধান উপদেষ্টাবাংলাদেশ)
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মূল ভাষণে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যাতে একটি আরও টেকসই ও ন্যায়সংগত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা যায়। তিনি জাপানে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা আঞ্চলিক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

গ্যান কিম ইয়ং (ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীসিঙ্গাপুর)
সিঙ্গাপুরের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী গ্যান কিম ইয়ং তার বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, এশিয়ার প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে উন্মুক্ত ও অবাধ বাণিজ্য অপরিহার্য। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই টিকে থাকা সম্ভব।

গুয়েন চি ডুং (ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীভিয়েতনাম)
ভিয়েতনামের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী গুয়েন চি ডুং আলোচনায় অংশগ্রহণ করে তুলে ধরেন, কীভাবে অশান্ত বিশ্বে এশিয়া নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তার অংশগ্রহণ ভিয়েতনামের আঞ্চলিক সহযোগিতায় অঙ্গীকার ও অভিন্ন সমস্যার সমাধানে আগ্রহ প্রকাশ করে।

অন্যান্য কার্যক্রম

মূল অধিবেশনের বাইরে ড. ইউনূস একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি জাইকা প্রেসিডেন্ট ড. তাকাহাশো আকিহিকোর সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জাইকা-তহবিলপ্রাপ্ত প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া তিনি টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত মানবসম্পদ উন্নয়ন সেমিনারে বিশেষ বক্তৃতা প্রদান করেন, যেখানে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

ভবিষ্যতের দৃষ্টিপাত

৩০তম নিক্কেই ফোরাম এশীয় দেশগুলোর মধ্যকার সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে চলেছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে এশিয়া যাত্রা অব্যাহত রাখলেও, এই ফোরামে উঠে আসা দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিশ্রুতিগুলো ভবিষ্যতের জন্য একটি অধিক সংহত ও টেকসই অঞ্চলের পথ নির্দেশ করবে।

(ফোরামের বিস্তারিত তথ্য ও হালনাগাদ পেতে ভিজিট করুন: Nikkei Forum 30th Future of Asia ওয়েবসাইট)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

৩০তম নিক্কেই ফোরাম: এশিয়ার ভবিষ্যৎ – টোকিওয় ২৯ মে ২০২৫-এর অধিবেশন

০৯:৩০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

২০২৫ সালের ২৯ মে, জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত হলো ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: “এশিয়ার ভবিষ্যৎ” শীর্ষক সম্মেলন, যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল “অশান্ত বিশ্বে এশিয়ার চ্যালেঞ্জ”। এই ফোরামে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও একাডেমিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। তারা আঞ্চলিক সমস্যা ও বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে এশিয়ার ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

২৯ মে অধিবেশনের মূল আলোচনা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস (প্রধান উপদেষ্টাবাংলাদেশ)
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মূল ভাষণে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যাতে একটি আরও টেকসই ও ন্যায়সংগত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা যায়। তিনি জাপানে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা আঞ্চলিক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

গ্যান কিম ইয়ং (ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীসিঙ্গাপুর)
সিঙ্গাপুরের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী গ্যান কিম ইয়ং তার বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, এশিয়ার প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে উন্মুক্ত ও অবাধ বাণিজ্য অপরিহার্য। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই টিকে থাকা সম্ভব।

গুয়েন চি ডুং (ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীভিয়েতনাম)
ভিয়েতনামের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী গুয়েন চি ডুং আলোচনায় অংশগ্রহণ করে তুলে ধরেন, কীভাবে অশান্ত বিশ্বে এশিয়া নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তার অংশগ্রহণ ভিয়েতনামের আঞ্চলিক সহযোগিতায় অঙ্গীকার ও অভিন্ন সমস্যার সমাধানে আগ্রহ প্রকাশ করে।

অন্যান্য কার্যক্রম

মূল অধিবেশনের বাইরে ড. ইউনূস একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি জাইকা প্রেসিডেন্ট ড. তাকাহাশো আকিহিকোর সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জাইকা-তহবিলপ্রাপ্ত প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া তিনি টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত মানবসম্পদ উন্নয়ন সেমিনারে বিশেষ বক্তৃতা প্রদান করেন, যেখানে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

ভবিষ্যতের দৃষ্টিপাত

৩০তম নিক্কেই ফোরাম এশীয় দেশগুলোর মধ্যকার সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে চলেছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে এশিয়া যাত্রা অব্যাহত রাখলেও, এই ফোরামে উঠে আসা দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিশ্রুতিগুলো ভবিষ্যতের জন্য একটি অধিক সংহত ও টেকসই অঞ্চলের পথ নির্দেশ করবে।

(ফোরামের বিস্তারিত তথ্য ও হালনাগাদ পেতে ভিজিট করুন: Nikkei Forum 30th Future of Asia ওয়েবসাইট)