০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট

৫০তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিসিএসের প্রাথমিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন পরীক্ষার্থী এনামুল হকসহ আরও তিনজন প্রার্থী।

রিটের পটভূমি
রিটকারীদের আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। একই সঙ্গে পরীক্ষাটি স্থগিত রাখার আবেদন এবং এর আগে জমা দেওয়া স্মারকলিপির নিষ্পত্তি চাওয়া হয়েছে।

কারা বিবাদী
এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

স্মারকলিপি ও দাবির কারণ
গত ২০ জানুয়ারি এনামুল হকসহ একদল চাকরিপ্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

রিটকারীদের বক্তব্য
স্মারকলিপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। রিটে বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন। এতে করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৫০তম বিসিএসের চিত্র
সরকারি কর্ম কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বড় অংশ স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য বরাদ্দ, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৫০টি পদ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০টি এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট

০৭:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

৫০তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিসিএসের প্রাথমিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন পরীক্ষার্থী এনামুল হকসহ আরও তিনজন প্রার্থী।

রিটের পটভূমি
রিটকারীদের আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। একই সঙ্গে পরীক্ষাটি স্থগিত রাখার আবেদন এবং এর আগে জমা দেওয়া স্মারকলিপির নিষ্পত্তি চাওয়া হয়েছে।

কারা বিবাদী
এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

স্মারকলিপি ও দাবির কারণ
গত ২০ জানুয়ারি এনামুল হকসহ একদল চাকরিপ্রার্থী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন।

রিটকারীদের বক্তব্য
স্মারকলিপির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। রিটে বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন। এতে করে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৫০তম বিসিএসের চিত্র
সরকারি কর্ম কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বড় অংশ স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য বরাদ্দ, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৫০টি পদ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০টি এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।