০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

৫০-এর পর ত্বকে ব্লাশ ব্যবহারে ক্রিম নাকি পাউডার—কোনটি বেশি মানানসই?

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের গঠনেও পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে ৪০ ও ৫০-এর পর ত্বকে কোলাজেন ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিড কমতে থাকায় ত্বক তুলনামূলক পাতলা, শুষ্ক ও কম টানটান হয়ে পড়ে। ফলে সূক্ষ্ম রেখা ও অসমান ত্বকের গঠন আরও স্পষ্ট দেখা দিতে পারে। এই সময়ে মেকআপের ধরন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও কিছুটা সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

ব্লাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ক্রিম নাকি পাউডার? বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার পর ক্রিম, তরল ও ময়েশ্চারাইজিং ধরনের ব্লাশ ত্বকের জন্য তুলনামূলক বেশি উপযোগী।

কেন ক্রিম ও তরল ব্লাশ এগিয়ে

শুষ্ক বা অতিরিক্ত পাউডারযুক্ত ব্লাশ অনেক সময় ত্বকের সূক্ষ্ম রেখার মধ্যে জমে গিয়ে সেগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলতে পারে। বিপরীতে ক্রিম ও তরল ধরনের ব্লাশ ত্বকের সঙ্গে সহজে মিশে যায় এবং ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও কোমলতার অনুভূতি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

তরল ব্লাশের আরেকটি সুবিধা হলো, এর রং ধীরে ধীরে বাড়ানো যায়। অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও রং যোগ করা সম্ভব। ফলে মুখে অতিরিক্ত মেকআপের ভারী ভাব না এনে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা তৈরি করা যায়।

Cream vs Powder Blush for Women Over 50: My Picks and What Works Best

পাউডার ব্লাশ সাধারণত মসৃণ ও মখমলি ধরনের আবরণ দেয়। অন্যদিকে তরল ব্লাশ মুখে কিছুটা সতেজ ও আর্দ্র উজ্জ্বলতা এনে দেয়, যেন গালের রং ত্বকের ভেতর থেকেই ফুটে উঠেছে।

৫০-এর পর কীভাবে ব্লাশ লাগাবেন

পরিণত ত্বকে ব্লাশ ব্যবহারের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অল্প অল্প করে স্তর তৈরি করা। ব্লাশ লাগানোর পর দ্রুত ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে আঙুল দিয়ে মেশালে ত্বকের উষ্ণতার কারণে ব্লাশ আরও সহজে ত্বকের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।

ব্লাশ কোথায় লাগানো হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। গালের একেবারে মাঝখানে অতিরিক্ত ব্লাশ না দিয়ে গালের হাড়ের ওপরের দিকে অল্প করে লাগিয়ে ওপরের দিকে মিশিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এভাবে ব্লাশ ব্যবহার করলে মুখে তুলনামূলক স্বাভাবিক আভা আসে এবং দৃষ্টিগতভাবে মুখের গড়ন কিছুটা ওপরে ওঠা বা টানটান দেখানোর প্রভাব তৈরি হতে পারে।

পাউডার দিয়ে সেট করবেন কীভাবে

11 Best Blushes for Mature Skin 2024, According to Makeup Artists | Allure

তরল ব্লাশের স্থায়িত্ব পাউডার ব্লাশের তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে। তাই প্রয়োজন হলে ওপর থেকে সামান্য পাউডার ব্লাশ ব্যবহার করা যায়। তবে অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো।

কারণ বেশি পাউডার ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্র ও উজ্জ্বল ভাব নষ্ট করে দিতে পারে। বিশেষ করে বয়স বাড়ার পর ত্বককে যতটা সম্ভব সতেজ ও আর্দ্র দেখানোই বেশি আকর্ষণীয় ফল দিতে পারে।

কোন রং সবচেয়ে ভালো

ব্লাশের রং বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই নিয়ম নেই। তবে নরম গোলাপি, পিচ ও কোরাল রং মুখে উষ্ণতা ও সতেজতা আনতে পারে।

হালকা উষ্ণ আভাযুক্ত কিংবা সামান্য উজ্জ্বলতাসম্পন্ন রং মুখে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চেহারা তৈরি করতে বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে। গোলাপি ও পিচের ভারসাম্যপূর্ণ রংও পরিণত ত্বকে বেশ স্বাভাবিক দেখাতে পারে।

সব মিলিয়ে, ৫০-এর পর ব্লাশ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু রং নয়, এর গঠনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিম, তরল ও আর্দ্রতা ধরে রাখে এমন ব্লাশ সাধারণত ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা ও অসমান গঠনকে কম চোখে পড়তে সাহায্য করে এবং মুখে এনে দেয় কোমল, সতেজ ও স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

৫০-এর পর ত্বকে ব্লাশ ব্যবহারে ক্রিম নাকি পাউডার—কোনটি বেশি মানানসই?

১২:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের গঠনেও পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে ৪০ ও ৫০-এর পর ত্বকে কোলাজেন ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিড কমতে থাকায় ত্বক তুলনামূলক পাতলা, শুষ্ক ও কম টানটান হয়ে পড়ে। ফলে সূক্ষ্ম রেখা ও অসমান ত্বকের গঠন আরও স্পষ্ট দেখা দিতে পারে। এই সময়ে মেকআপের ধরন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও কিছুটা সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

ব্লাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ক্রিম নাকি পাউডার? বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার পর ক্রিম, তরল ও ময়েশ্চারাইজিং ধরনের ব্লাশ ত্বকের জন্য তুলনামূলক বেশি উপযোগী।

কেন ক্রিম ও তরল ব্লাশ এগিয়ে

শুষ্ক বা অতিরিক্ত পাউডারযুক্ত ব্লাশ অনেক সময় ত্বকের সূক্ষ্ম রেখার মধ্যে জমে গিয়ে সেগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলতে পারে। বিপরীতে ক্রিম ও তরল ধরনের ব্লাশ ত্বকের সঙ্গে সহজে মিশে যায় এবং ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও কোমলতার অনুভূতি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

তরল ব্লাশের আরেকটি সুবিধা হলো, এর রং ধীরে ধীরে বাড়ানো যায়। অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও রং যোগ করা সম্ভব। ফলে মুখে অতিরিক্ত মেকআপের ভারী ভাব না এনে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা তৈরি করা যায়।

Cream vs Powder Blush for Women Over 50: My Picks and What Works Best

পাউডার ব্লাশ সাধারণত মসৃণ ও মখমলি ধরনের আবরণ দেয়। অন্যদিকে তরল ব্লাশ মুখে কিছুটা সতেজ ও আর্দ্র উজ্জ্বলতা এনে দেয়, যেন গালের রং ত্বকের ভেতর থেকেই ফুটে উঠেছে।

৫০-এর পর কীভাবে ব্লাশ লাগাবেন

পরিণত ত্বকে ব্লাশ ব্যবহারের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অল্প অল্প করে স্তর তৈরি করা। ব্লাশ লাগানোর পর দ্রুত ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে আঙুল দিয়ে মেশালে ত্বকের উষ্ণতার কারণে ব্লাশ আরও সহজে ত্বকের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।

ব্লাশ কোথায় লাগানো হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। গালের একেবারে মাঝখানে অতিরিক্ত ব্লাশ না দিয়ে গালের হাড়ের ওপরের দিকে অল্প করে লাগিয়ে ওপরের দিকে মিশিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এভাবে ব্লাশ ব্যবহার করলে মুখে তুলনামূলক স্বাভাবিক আভা আসে এবং দৃষ্টিগতভাবে মুখের গড়ন কিছুটা ওপরে ওঠা বা টানটান দেখানোর প্রভাব তৈরি হতে পারে।

পাউডার দিয়ে সেট করবেন কীভাবে

11 Best Blushes for Mature Skin 2024, According to Makeup Artists | Allure

তরল ব্লাশের স্থায়িত্ব পাউডার ব্লাশের তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে। তাই প্রয়োজন হলে ওপর থেকে সামান্য পাউডার ব্লাশ ব্যবহার করা যায়। তবে অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো।

কারণ বেশি পাউডার ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্র ও উজ্জ্বল ভাব নষ্ট করে দিতে পারে। বিশেষ করে বয়স বাড়ার পর ত্বককে যতটা সম্ভব সতেজ ও আর্দ্র দেখানোই বেশি আকর্ষণীয় ফল দিতে পারে।

কোন রং সবচেয়ে ভালো

ব্লাশের রং বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই নিয়ম নেই। তবে নরম গোলাপি, পিচ ও কোরাল রং মুখে উষ্ণতা ও সতেজতা আনতে পারে।

হালকা উষ্ণ আভাযুক্ত কিংবা সামান্য উজ্জ্বলতাসম্পন্ন রং মুখে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চেহারা তৈরি করতে বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে। গোলাপি ও পিচের ভারসাম্যপূর্ণ রংও পরিণত ত্বকে বেশ স্বাভাবিক দেখাতে পারে।

সব মিলিয়ে, ৫০-এর পর ব্লাশ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু রং নয়, এর গঠনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিম, তরল ও আর্দ্রতা ধরে রাখে এমন ব্লাশ সাধারণত ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা ও অসমান গঠনকে কম চোখে পড়তে সাহায্য করে এবং মুখে এনে দেয় কোমল, সতেজ ও স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।