০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • 51

ˆâ‘°‚çi¶j‚Ɉø‚«“n‚³‚ê‚銁ŽR‰Ž}‚³‚ñ‚̈⍜‚Q‚Q“úŒß‘OAL“‡Žs’†‹æ

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

৭৯ বছর পর ফিরে এলো হিরোশিমার কিশোরীর দেহাবশেষ, ডিএনএ বিশ্লেষণে মিললো পরিচয়

০৫:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ ৭৯ বছর পর অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরে এলো হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত এক কিশোরীর দেহাবশেষ। আবেগঘন এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে এলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম স্মৃতি এবং মানবিক ক্ষতির গভীরতা।

ডিএনএ বিশ্লেষণে পরিচয় নিশ্চিত

হিরোশিমা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সী হাতসুয়ে কাজিয়ামার দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে চুলের নমুনা থেকে ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় তার মৃত্যু হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তার দেহাবশেষ শহরের শান্তি স্মারক পার্কে সংরক্ষিত ছিল।

পরিবারের এক সদস্য গত বছর স্মারক তালিকায় নাম দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলে বিষয়টি নতুন করে তদন্তে আসে। এরপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা চালিয়ে অবশেষে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের কাছে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের পর এই প্রথম এমন ঘটনা। কাজিয়ামার ভাতিজা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এতদিন পর তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

এখনো অজানা হাজারো পরিচয়

হিরোশিমা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্মারক স্থানে প্রায় ৭০ হাজার ভুক্তভোগীর দেহাবশেষ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে অনেকের পরিচয় জানা থাকলেও জীবিত আত্মীয়দের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে শতাধিক সংরক্ষিত পাত্র পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় চুল পাওয়া গেছে, যা ভবিষ্যতে শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতিহাসের ক্ষত এখনো জীবন্ত

এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ শেষ হলেও তার ক্ষত থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখনো সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পরিচয় ফিরে আসছে, আর পরিবারের কাছে ফিরছে তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি।