০৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন: আতঙ্কে বিনিয়োগকারী ও আমানতকারী

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। শেয়ার বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীরা আশঙ্কা করছেন, জীবনের সঞ্চয় হারানোর ঝুঁকি আরও গভীর হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এর ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কার্যত মূল্যহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ করা হাজারো বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যেই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

৯টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের প্রায় এক হাজার আট কোটি টাকার শেয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের প্রায় ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার আমানত নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর শঙ্কা। খেলাপি ঋণের হার অত্যধিক হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যত দেউলিয়া অবস্থায় দেখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অবসায়নের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করা হবে এবং আমানত ফেরতের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ক্ষুদ্র আমানতকারীরা তাদের টাকা হারাবেন না এবং পর্যায়ক্রমে অন্যরাও অর্থ ফেরত পাবেন।

ধুঁকতে থাকা ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতিই এই সংকটকে গভীর করেছে। পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বিতরণের ফলে আজ বিনিয়োগকারী ও সাধারণ আমানতকারীদের ওপর এর বোঝা এসে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত সমাধান চান। তাদের আশঙ্কা, আস্থা ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে আর্থিক খাতে সংকট আরও বড় আকার নিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন: আতঙ্কে বিনিয়োগকারী ও আমানতকারী

১২:১৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। শেয়ার বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীরা আশঙ্কা করছেন, জীবনের সঞ্চয় হারানোর ঝুঁকি আরও গভীর হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এর ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কার্যত মূল্যহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ করা হাজারো বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যেই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

৯টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের প্রায় এক হাজার আট কোটি টাকার শেয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের প্রায় ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার আমানত নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর শঙ্কা। খেলাপি ঋণের হার অত্যধিক হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যত দেউলিয়া অবস্থায় দেখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অবসায়নের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করা হবে এবং আমানত ফেরতের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ক্ষুদ্র আমানতকারীরা তাদের টাকা হারাবেন না এবং পর্যায়ক্রমে অন্যরাও অর্থ ফেরত পাবেন।

ধুঁকতে থাকা ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতিই এই সংকটকে গভীর করেছে। পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বিতরণের ফলে আজ বিনিয়োগকারী ও সাধারণ আমানতকারীদের ওপর এর বোঝা এসে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত সমাধান চান। তাদের আশঙ্কা, আস্থা ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে আর্থিক খাতে সংকট আরও বড় আকার নিতে পারে।